Alexa
রোববার, ২৯ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 

হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:১৫

নবজাতক চুরির ঘটনায় হাসপাতালে স্বজনদের উত্তেজনা। ছবি: আজকের পত্রিকা হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল থেকে এক নবজাতক চুরি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালের স্ক্যানো ওয়ার্ড থেকে নবজাতকটি চুরি হয়। 

চুরি হওয়া নবজাতকটি জেলা শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মড়–রা গ্রামের দেলওয়ার হোসেন ও ফেরদৌস আরা দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান। 

নবজাতকের ফুফু নুরুন্নাহার বেগম জানান, সোমবার রাতে প্রসবব্যথা উঠলে ফেরদৌস আরাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে তিনি একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। নবজাতকটি অসুস্থ হওয়ায় তাকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় স্ক্যানো ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এ সময় নবজাতকের মা নিচতলায় গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে স্ক্যানো ওয়ার্ডের বাইরে বসা ছিলেন তার ফুফু ও নানি। সকাল ৯টার দিকে নবজাতকের ফুফু বাচ্চা আনতে স্ক্যানো ওয়ার্ডে গেলে দায়িত্বরত নার্স জানায় বাচ্চাকে তার বাবা নিয়ে গেছেন। অথচ ওই সময় নবজাতকের বাবা হাসপাতালেই ছিলেন না। 

ঘটনার খবর পেয়ে নবজাতকের বাড়ি থেকে তার বাবা ও স্বজনেরা হাসপাতালে আসেন। এ সময় হাসপাতালে উত্তেজনা দেখা দিলে সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। 

নবজাতকের বাবা দেলওয়ার হোসেন বলেন, ‘তিনজন নার্স ও ঝাড়ুদার মিলে আমার বাচ্চাকে গায়েব করে দিয়েছে। আমি খবর পেয়ে স্ক্যানো ওয়ার্ডে গেলে নার্স ও ডাক্তার আমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। আমি আমার বাচ্চাকে ফেরত চাই।’ 

স্ক্যানো ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্স শামীমা আক্তার বলেন, ‘বাচ্চা গায়েব হওয়ার পেছনে আমাদের কোনো হাত নেই। যদি আমাদের কোনো হাত থাকে, তাহলে আমাদের শাস্তি হোক।’ 

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ছবি: আজকের পত্রিকা হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার বলেন, ‘মঙ্গলবার ৯টা ৫ মিনিটের দিকে আমাদের ওয়ার্ড থেকে একটা বাচ্চা চুরির ঘটনা ঘটেছে। আমি দায়িত্বরত সিস্টারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আমাকে জানিয়েছেন, বাচ্চা কান্নাকাটি করছিল। এ সময় এক ব্যক্তি বাচ্চার বাবা পরিচয় দিয়ে বাচ্চাকে নিয়ে যান। পরে তারা দাবি করেন বাচ্চাটি তারা নেননি।’ 

ডা. আমিনুল হক সরকার আরও বলেন, ‘এখান থেকে বাচ্চা গায়েব হওয়ার কথা না। আমাদের সিস্টাররা এমনটা করতেই পারেন না। আমরা বিষয়টিকে তদন্ত করে দেখছি।’ 

হবিগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব আলী বলেন, ‘সদর হাসপাতাল থেকে একটি নবজাতক চুরি হওয়ার খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে এসেছি। দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ও নবজাতকের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করছি। তদন্তের পরই মূল রহস্য জানা যাবে।’ 

হাসপাতালের স্ক্যানো ওয়ার্ড বা এর আশপাশে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় বিষয়টি একটু জটিল হয়ে গেছে। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    এক বছরেও উদ্‌ঘাটিত হয়নি সিলেটের ধীরাজ পাল হত্যার রহস্য

    বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী, গ্রেপ্তার ২ 

    মেস থেকে এমসি কলেজের ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    প্রেমিকের সহযোগিতায় গৃহকর্মী সেজে চুরি করত জোসনা

    কমলগঞ্জে চালের থেকে ভুসির দাম বেশি

    সুরমার ভাঙনঝুঁকিতে সড়ক

    দেখে নিন লিভারপুল-রিয়াল ফাইনালের একাদশ

    বিদেশে প্রশিক্ষণে গিয়ে উধাও কনস্টেবল, উৎকণ্ঠায় বাবা-মা

    ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে একের পর এক উধাও হচ্ছে রুশ প্রমোদতরী

    বিধবা নারীকে বাজারে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা, যুবক গ্রেপ্তার

    বোরহানউদ্দিনে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার-ফার্মেসিতে অভিযান, ৭৭ হাজার টাকা জরিমানা

    ফরিদপুরে অবৈধ ২০ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ