Alexa
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 

আশ্রয়ণের অধিকাংশ ঘরে তালা ঝুলছে, থাকেন না বরাদ্দপ্রাপ্তরা

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৫৯

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিকাংশ ঘরেই তালা ঝুলছে। ছবি: আজকের পত্রিকা জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের বেশির ভাগ ঘরেই তালা ঝুলছে। থাকছেন না বরাদ্দপ্রাপ্তরা। তবে বরাদ্দ পাওয়ার পরও যাঁরা এসব ঘরে থাকছেন না, তাঁদের বরাদ্দ বাতিল করে নতুনদের বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। 

উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪০টি ঘরের মধ্যে ১৬টি ঘরে বসবাস করে লোকজন। ফাঁকা ঘরে এখন খড়কুটো ও গরু-ছাগল রাখা হয়। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের এক পাশে ১২টি, অন্য পাশে ২৮টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ১২টির মধ্যে ছয়টিতে পরিবার বসবাস শুরু করলেও এখনো ঘরে ওঠেনি ছয়টি পরিবার। বাকি ছয়টি ঘর তালাবন্ধ। অন্য পাশে ২৮টি ঘরের মধ্যে ১০টির মালিক পরিবার নিয়ে বসবাস করলেও ১৮টি ঘর তালাবন্ধ। নির্মাণ করা কয়েকটি ঘরের দেয়াল ও মেঝেতে ফাটল ধরেছে। 

আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারীরা জানান, তালাবন্ধ করে বেশির ভাগ লোকজনই চলে গেছেন। তাঁদের কেউ থাকেন নিজ বাড়িতেই, কেউ থাকেন ঢাকায়। এমনও আছেন, শুধু ঘর তালাবন্ধ করে চলে গেছেন, আর কখনো আসেননি। এ জন্যই বেশির ভাগ ঘর ফাঁকা পড়ে আছে। জায়গা কম পড়লে কেউ ফাঁকা ঘরগুলোতে খড়কুটো ও গরু-ছাগল বেঁধে রাখছেন। প্রকল্পের এই ঘরের দেওয়ালে ফাটল ধরেছে এবং ঘরের মেঝেতে ইঁদুর গর্ত করেছে বলে অভিযোগ করেন আশ্রয়ণের বাসিন্দারা। 

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে বরাদ্দ পাওয়া ঘরে থাকেন না অনেকেই। ছবি: আজকের পত্রিকা আশ্রয়ণকেন্দ্রে বসবাসকারী আল আমিন বলেন, যাতায়াতের রাস্তা নেই, মানুষের বাড়ির ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বৃষ্টি হলে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। পানি জমে যাতায়াতসহ আরও অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক নারী বলেন, ‘যাঁরা ঘর পেয়েও সেখানে থাকছেন না, তাঁদের আগে থেকেই বড় বড় ঘরবাড়ি রয়েছে। তাই তাঁরা এসব ঘর নামের মুরগির খুপরিতে থাকছেন না, শুধু দখলে রেখেছেন। এই এলাকাতেই ভূমিহীন অনেকে রয়েছেন, যাঁরা ঘর পাননি।’ 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর একজন বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশেই বসবাসকারী এক নেতার দুই ছেলের নামে এখানে দুটি ঘর বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু তাঁরা কেউ সেখানে থাকেন না। কারণ তাঁদের আগে থেকেই বড় বড় ঘর আছে। ১০-১২টি গরু-মহিষ আছে। বিঘায় বিঘায় আবাদি জমি। সে কারণে তাঁরা ওই ছোট ঘরে থাকতে চান না।’

মো. আজগার আলী নামে একজন বলেন, ‘এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে এক বছর ধরে থাকতেছি। এই শীতের মধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কেউই কারও কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি। শীতের মধ্যে খুব কষ্টে থাকতে হচ্ছে।’ 

এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পে বিদ্যুৎসহ সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া ঘরের উপকারভোগীদের বিষয়ে তথ্য নেওয়া হয়েছে। যাঁরা ঘরগুলোতে থাকতে চান না, তাঁদের বরাদ্দ বাতিল করে নতুনদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। আর যাতায়াতের সমস্যা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে।’ 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    হত্যার উদ্দেশ্যে ভুট্টাখেতে নিয়ে বন্ধুকে মৃত ভেবে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ

    খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু 

    নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ট্রাস্টি কারাগারে, জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক

    প্রেম করে খালাতো ভাইকে বিয়ে, খালার হাতে প্রাণ গেল বাবার

    বিয়ের তিন মাস পর স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, রহস্য দেখছে পুলিশ

    আত্মসমর্পণের পর কারাগারে ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকি

    মুশফিকের ভেলায় ৪০০-এর স্বপ্ন বাংলাদেশের

    বেকারি পণ্যের মূল্য দ্বিগুণ

    জনগণ বারবার বিএপিকে টেনে–হিঁচড়ে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, বললেন কাদের

    টিভিতে আজকের খেলা (২৪ মে ২০২২, মঙ্গলবার)

    আগৈলঝাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত

    ‘বাংলাদেশে মাঙ্কিপক্সের কোনো রোগী ধরা পড়েনি’