Alexa
রোববার, ২২ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 

পরিত্যক্ত ছাত্রাবাস এখন মাদকসেবীদের আখড়া

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২২, ১৩:৩৪

জীর্ণশীর্ণ টিনের ঘরের চারপাশে ঝোপঝাড় তৈরি হয়ে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিচরণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সখীপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পিএম পাইলট মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুরোনো ছাত্রাবাসটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত। জীর্ণশীর্ণ টিনের ঘরের চারপাশে ঝোপঝাড় তৈরি হয়ে ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে মাদকসেবী ও কারবারিদের নিরাপদ বিচরণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে পুরোনো এ ছাত্রাবাসটি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখানে মাদকসেবীদের যাতায়াত নিয়মিত। সম্প্রতি জুয়াড়ি ও যৌনকর্মীদের আনাগোনাও লক্ষ করা গেছে। ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালু করার দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের আবাসনের সংকট দূর করতে ২০০৭ সালে ছাত্রাবাসটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও জমিদাতা শেখ হায়েত আলী সরকারের নাম অনুসারে ছাত্রাবাসের নাম দেওয়া হয় ‘হায়েত আলী ছাত্রাবাস’। চালু থাকা অবস্থায় ওই ছাত্রাবাসে অষ্টম-দশম শ্রেণির নিয়মিত ১৫০ থেকে ১৮০ জন শিক্ষার্থী বসবাস করত। পরে সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে পাকা ভবন নির্মাণ হলে ২০১৫ সালে পুরোনো ওই ছাত্রাবাসটি বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকেই ছাত্রাবাসটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষও এর কোনো রকম রক্ষণাবেক্ষণ করছে না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র ওই ছাত্রাবাসে ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বসবাসকারী মুস্তাকিম মুস্তাক বলেন, স্কুলজীবনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি বছর কেটেছে ওই ছাত্রাবাসে। গ্রামের কত শিক্ষার্থী আবাসিক সংকটের কারণে শহরে থেকে পড়ালেখা করতে পারে না, অন্তত তাদের জন্য হলেও ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালু করা উচিত বলে মনে করেন।

বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. আহাদুল্লাহ মিয়া বলেন, ‘দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ওই ছাত্রাবাসটি খুব ভালোভাবেই দেখভাল করেছি। অবসর নিয়েছি ২০১৩ সালে, কিন্তু কী কারণে ছাত্রাবাসটি বন্ধ হয়েছে আমি তা জানি না।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অন্যতম দাতা সদস্য শেখ হায়েত আলী সরকারের নাতি শেখ মোহাম্মদ হাসনাত বলেন, ‘আমার দাদার নামে প্রতিষ্ঠিত ছাত্রাবাসটি অজানা কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। অযত্নে-অবহেলায় দীর্ঘদিন ধরে এভাবে পড়ে আছে। ওই ঘরে এখন মাদকসেবী, জুয়াড়িদের আনাগোনাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও সমাধান পাইনি। এর সংস্কার ও পুনরায় ছাত্রাবাসটি চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কে বি এম খলিলুর রহমান জানান, ওই ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালু করার বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    সেচ খরচে দিশেহারা কৃষক

    চার শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত

    অল্প বৃষ্টিতেই কোমর পানি

    ঝুঁকিতে বসতভিটা ও কৃষিজমি

    সখীপুরে ঝড়-বৃষ্টিতে পাঁচ সরকারি কার্যালয় জলাবদ্ধ

    চিকিৎসার টাকা জোগাতে উপহারের ঘর বিক্রি

    এমপি কর্তৃক শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় আসকের নিন্দা ও উদ্বেগ

    ঢাকা টেস্টে দুই পরিবর্তন নিয়ে নামবে শ্রীলঙ্কা

    ভারতে বিভিন্ন আইনের অপব্যবহার বেড়ে চলেছে: আর্টিকেল নাইনটিন

    বঙ্গবন্ধু কেমিক্যাল মেটেরোলজি অলিম্পিয়াডে ১ম শাবিপ্রবির রিফাত

    মৃত্যুর খবর পেলেই ঘোড়ায় চড়ে ছোটেন মনু মিয়া

    পাবনায় চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ