Alexa
রোববার, ২৯ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 

সিরিজটি আমাদের জন্য একটা স্কুলিং ছিল

মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম শাইকের জন্ম ও বেড়ে ওঠা রাজশাহীতে। ভারতের এশিয়ান স্কুল অব মিডিয়া স্টাডিজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। কাজ করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপন নিয়ে। প্রথমবারের মতো ওয়েব সিরিজ ‘শাটিকাপ’ বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই নির্মাতা।

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২২, ১১:১৭

ছবি: ফজলে রাব্বি সিয়াম ‘শাটিকাপ’ নির্মাণের পেছনের গল্পটা কেমন?

এই গল্পের কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল না। অভিজ্ঞতা ছিল না কীভাবে অ্যাকশন ফিল্ম শুট করা যায়। ২০২০ সালে যখন লকডাউন শুরু হলো, তখন তো সবাই ঘরবন্দি। তখন কিছু একটা করার জন্য কাজ শুরু করেছিলাম। কোনো গল্প ছাড়াই শুট করছিলাম। যখন দেখলাম কিছু হচ্ছে, তখন প্রপার স্ক্রিপ্টে গেলাম।

সিরিজটির শুটিং হয়েছে রাজশাহীতে?

পোস্ট প্রোডাকশনের আগে পর্যন্ত সব রাজশাহী থেকেই করেছি। এরপর চরকির সহযোগিতায় পোস্ট প্রোডাকশন হয়েছে। শুটিংয়ের সময় প্রচুর টেকনিক্যাল লোক দরকার হয়েছে। আমাদের মূল টিমের সদস্যরা যখন যেটা দরকার হয়েছে সেটা তাৎক্ষণিক শিখেছি। তারপর কাজ করেছি।

সেটা কেমন?

আমাদের নিজেদের স্ক্রিপ্ট রাইটার নেই। স্ক্রিপ্ট রাইটিংয়ের জন্য আমরা কোর্স করেছি। ইন্টারনেট ঘেঁটেছি। তারপর আমাদের মনের ভাবনাগুলো লিখেছি।

যে সাউন্ড নিয়েছে, সেও নিজেকে একইভাবে তৈরি করেছে। আমার পড়াশোনা সিনেমাটোগ্রাফিতেই। সেক্ষেত্রে আমরা নিজেরা ওয়ার্কশপ করে রেডি হয়েছি। পুরো সিরিজটি আমাদের জন্য একটা স্কুলিং ছিল। শুটিং অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?আমরা খুব র-ভাবে জিনিসটা তৈরি করার চেষ্টা করেছি।

নেকগুলো ক্যামেরায় শুট করতে হয়েছে। আমিই সিনেমাটোগ্রাফি করেছি। আমার সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন ক্যামেরা অপারেট করেছেন। আমরা একই সময়ে পাঁচটা ক্যামেরা রান করেছি। এমনও হয়েছে যে ক্যারেক্টারকেও ক্যামেরা ধরতে হয়েছে।

১৩৭ জন অভিনয়শিল্পীর সবাই রাজশাহীর। অভিনয়ের পূর্ব অভিজ্ঞতাও ছিল না। তাঁদের নিয়ে কাজ করতে অসুবিধা হয়নি?

প্রাথমিক পর্যায়ে যাদের নির্বাচন করেছিলাম তাঁরা আমাদের টিমেরই সদস্য। বাকি চরিত্রগুলোর জন্য অডিশন নিয়েছি। আবার কারও সঙ্গে চরিত্র মিলে গেলে তাঁকে অনুরোধ জানিয়েছি, আপনার অভিনয় করতে হবে। এরপর আমরা একটা ক্যারেক্টার ওয়ার্কশপ করেছি। চূড়ান্ত শুটিংয়ের আগে পরীক্ষামূলকভাবে বেশ কয়েকবার শুটিং করেছি।

শুনেছি ৬৩ দিন শুটিং করেছেন...

একটা ওয়েব সিরিজে ৬৩ দিন শুট করা মানে বোঝাই যায় বেহিসাবি কাজ হয়েছে। একটা সিকোয়েন্স দেখা গেল শুট করে নিয়ে এসেছি, কিন্তু এডিটিংয়ের সময় সঠিক মনে হয়নি, আবার শুটিং করেছি। এভাবে কাজটি নামিয়েছি।

নিশ্চয়ই এলাকাবাসীর ব্যাপক সহযোগিতা ছিল?

আমরা যেখানেই গিয়েছি, সবার সর্বোচ্চ সহযোগিতা পেয়েছি। সেটা এলাকাবাসী হোক, কিংবা প্রশাসন। এলাকাবাসীর সাহায্য আমাদের নতুনভাবে উৎসাহ দিয়েছে।

কিছু সংলাপ নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে...

গল্পের চরিত্রগুলোকে সাধারণ মানুষ ওভাবে দেখে না কখনো। যে ড্রাগ ডিলার, আমরা তাকে ওভাবেই দেখানোর চেষ্টা করেছি। আমরা যে ক্যারেক্টারগুলো সামনে এনেছি, তারা আসলে এভাবেই কথা বলে। আমরা যদি কিছু এড়িয়ে যেতাম, তাহলে গল্পটার সাথে জাস্টিস হতো না। যে ধরনের মানসিকতা নিয়ে চরিত্রগুলো কথা বলে, সেটা যদি একই রকমভাবে পর্দায় না আসত, তবে এই গল্প আমাদের গল্প হয়ে উঠত না। অডিয়েন্স স্বাধীন, তারা তাদের মতো দেখবেন।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    বৈরী আবহাওয়ায় পেটের পীড়ায় আক্রান্ত শিশুরা

    ‘স্ত্রীর ওষুধ ও সংসারের খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্চি’

    বন্যা মোকাবিলায় নদীর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ মেরামত

    ৪০ কন্যার বিবাহোত্তর সংবর্ধনা, জমকালো আয়োজন

    প্রতিমন্ত্রী পলকের তোপের মুখে বেরোবি উপাচার্য

    সন্ধ্যার পর চলে স্পিডবোট নেওয়া হয় বাড়তি ভাড়া

    দেখে নিন লিভারপুল-রিয়াল ফাইনালের একাদশ

    বিদেশে প্রশিক্ষণে গিয়ে উধাও কনস্টেবল, উৎকণ্ঠায় বাবা-মা

    ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে একের পর এক উধাও হচ্ছে রুশ প্রমোদতরী

    বিধবা নারীকে বাজারে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা, যুবক গ্রেপ্তার

    বোরহানউদ্দিনে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার-ফার্মেসিতে অভিযান, ৭৭ হাজার টাকা জরিমানা

    ফরিদপুরে অবৈধ ২০ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ