Alexa
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

আবারও হাসপাতালেই ঠাঁই হলো সেই শিশুর

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২২, ১৪:৪০

বাক্‌প্রতিবন্দ্বী শিশুটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যাওয়া সেই শিশুটির আবারও জেলা জেনারেল হাসপাতালে ঠাঁই হয়েছে। গত বুধবার রাতে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে সোমবার শিশুটিকে মা পরিচয় দেওয়া এক নারীর হাতে তুলে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গত মঙ্গলবার সকালে শিশুটিকে আবারও স্টেশনে ‘স্বজনেরা’ ফেলে গেলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৩ জানুয়ারি আশুগঞ্জের বৈকন্ঠপুর এলাকায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যায় শিশুটি। পরে আশুগঞ্জ থানা-পুলিশ রেললাইনের পাশ থেকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রায় ২৫ দিন পর শিশুটির জ্ঞান ফেরে কিন্তু সে বাক্‌শক্তি হারিয়ে ফেলে। মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে যায়। জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে শিশুটির চিকিৎসা চলছিল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী উজ্জ্বল খান শিশুটিকে লালন-পালন করছিলেন।

এক বছরেও শিশুটির পরিবারের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে গত সোমবার সকালে শিশুটির মা ও নানি হাসপাতালে তাকে শনাক্ত করেন। পরিচয় হিসেবে জন্ম নিবন্ধন ও মায়ের সঙ্গে একটি ছবি দেখায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের করে দুপুরে শিশুটিকে তার মায়ের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু গত বুধবার রাতে হুইল চেয়ারে থাকা অসুস্থ শিশুটিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পান এক ফেরিওয়ালা। তিনি শিশুটিকে উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে সার্জারি ওয়ার্ডে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়।

শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা ফেরিওয়ালা আব্দুর রহিম বলেন, গতকাল মঙ্গলবার সকালে শিশুটিকে নিয়ে এক নারী রেলস্টেশনে ভিক্ষা করছিলেন। পরে ওই নারীকে আর দেখা যায়নি। শিশুটি হুইলচেয়ার থেকে পড়ে যায়। তা দেখে আমি শিশুটিকে উদ্ধার করি।

জেলার জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ‘শিশুটিকে হাসপাতালে রাখার আর সুযোগ নেই। আমরা যাচাই-বাছাই করে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে তুলে দিয়েছিলাম। আমরা বসে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। বিষয়টি থানায় জানানো হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম বলেন, ‘শিশুটিকে ফেলে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। আসলেই ওই নারী শিশুটির মা কি-না তা যাচাই করা হবে। আমরা গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি দেখছি।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    সন্ত্রাস-নাশকতা বড় গুনাহের কাজ

    প্রশাসনের দিকে অভিযোগের তির নৌকার ১০ প্রার্থীর

    আইভীতেই আস্থা অটুট

    সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে ফসলের ক্ষতি

    আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিল শাবিপ্রবি প্রশাসন

    সৌদি আরবে পাওয়া গেল ৪৫০০ বছর আগের মহাসড়ক

    ‘আপনার সার্ভিসের আর প্রয়োজন নেই’, শিক্ষকদের অব্যাহতির চিঠি

    বিএসআরএম কারখানায় ৩ শ্রমিক বিদ্যুতায়িত

    কোহলির জায়গা নিতে রাজি বুমরা

    মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় বাইডেন প্রশাসন