Alexa
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

ভাঙ্গায় পেঁয়াজের ভালো ফলনের সম্ভাবনা

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫২

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এ বছর প্রায় চার হাজার হেক্টরে পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে। উপজেলার চৌকিঘাটা গ্রাম থেকে গত বৃহস্পতিবার তোলা ছবি। আজকের পত্রিকা ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এ বছর পেঁয়াজের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। পেঁয়াজ উৎপাদনে ভাঙ্গা দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হিসেবে স্বীকৃত। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভাঙ্গায় পেঁয়াজ দানা কিনতে আসেন কৃষকেরা। হরেক রকমের পেঁয়াজের চাষ হয় এই উপজেলায়। এর মধ্যে দানা পেঁয়াজ, মুড়িকাটা পেঁয়াজ ও হালি পেঁয়াজ অন্যতম।

কদম ফুলের মতো দেখতে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনকারী কদম দানা পেঁয়াজ বা দানা পেঁয়াজ ও মুড়িকাটা পেঁয়াজ চারা ইতিমধ্যে বড় হতে শুরু করেছে। বর্তমানে চাষাবাদ চলছে হালি পেঁয়াজ বীজের। কৃষকেরা ব্যস্ত হালি পেঁয়াজের চারা রোপণে।

ভাঙ্গা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলগী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয়। অন্যদিকে দানা পেঁয়াজ বেশি উৎপাদন হয় ঘারুয়া ইউনিয়নে। এই দুটি ইউনিয়ন ছাড়াও হামিরদী, তুজারপুর, চান্দ্রা, মানিকদহ ও নাসিরাবাদ এলাকায় ব্যাপক পরিমাণে পেঁয়াজের চাষ করা হয়।

উপজেলার আলগী ইউনিয়নের কৃষক মজিদ মিয়া বলেন, এ বছর দাম ভালো থাকায় গত বছরের তুলনায় বেশি জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছেন। এ বছর আরও বেশি ফসল পাবেন বলে আশা করেন তিনি।

পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয় ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা গ্রামে। ওই গ্রামের আব্দুস সামাদ মোল্লা বলেন, তাঁদের গ্রাম পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনে প্রসিদ্ধ। কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পাংশা, পাবনাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে পেঁয়াজচাষিরা পেঁয়াজ দানা কিনতে আসেন। তাঁদের পেঁয়াজ দানা গুণে ও মানে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক ভালো।

তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজ দানা উৎপাদনে লাভ হলেও খরচ অনেক বেশি। এক বিঘা জমিতে দিনমজুর, পানি, সারসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয় হয়। এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজের ভালো ফলন হলে তিন থেকে চার মণ পেঁয়াজ দানা পাওয়া যায়। উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে পেঁয়াজ বীজের দাম নির্ধারিত হয়। গত বছর এক মণ পেঁয়াজের দানা ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করলেও পরে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। অনেক সময় চাহিদা কম হলে এক মণ পেঁয়াজ দানা ৫০ হাজার টাকায়ও বিক্রি হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন সিকদার বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় হালি পেঁয়াজের আবাদ ২ হাজার ৫০০ হেক্টর ছাড়িয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ৩ হাজার হেক্টরের বেশি হালি পেঁয়াজের আবাদ হবে বলে আশা করেন তিনি। হালি পেঁয়াজ ছাড়াও এ বছর ২৩০ হেক্টর দানা পেঁয়াজ ও ৮৯০ হেক্টর মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    দোয়া সফলতার হাতিয়ার

    ফ্যাশনেবল ফিউশন

    নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে কর্মশালা

    ঘাটাইলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ ইটভাটা

    জরাজীর্ণ টিনের ঘরে ৩৮ বছর পাঠদান

    ৫ ইউপিতে আওয়ামী লীগের ৭ বিদ্রোহী

    ৪ জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস

    ৭০০ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট চালুর মাইলফলক অর্জন করল ব্র্যাক ব্যাংক

    জীবন বীমার এমডিসহ দুজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    জাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে ইউজিসি, শিক্ষক সমিতির আপত্তি

    ওমিক্রন নিয়ে সংশয়ের মূল বর্ণবাদ, দাবি দ. আফ্রিকান বিজ্ঞানীদের

    আ.লীগ লবিস্ট নিয়োগ করে জনগণের অর্থ ব্যয় করছে: খন্দকার মোশাররফ