Alexa
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৩৪

চৌমুহনীর কর্ণফুলী কাঁচাবাজারের একটি মুদিদোকান। ছবি: আজকের পত্রিকা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় দুই মাস আগে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। এর প্রভাবে প্রথম দফায় বাড়ে চালের দাম। এরপর আর কমেনি। উল্টো কয়েক দিন পরপর বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম। সর্বশেষ গত সপ্তাহে আরেক দফায় বেড়েছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে এবার বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ৫০-১০০ টাকা।

পাহাড়তলি বাজারের মেসার্স জিসান রাইস এজেন্সির পরিচালক সুধাংশু শাহা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নভেম্বর মাসের শেষদিকে চালের দাম বাড়তে শুরু করে। এরপর এখন পর্যন্ত চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। গত সপ্তাহে মিনিকেট, জিরাশাইলজাতীয় চিকন চালের দাম আরেক দফা বেড়েছে।’ তবে মোটা চালের দাম এখন স্বাভাবিক আছে বলে জানিয়েছেন এই ব্যবসায়ী।

পাহাড়তলি চালের বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ৫০ কেজি ওজনের প্রতি বস্তায় ৫০-১০০ টাকা বেড়ে জিরাশাইল প্রতি বস্তা মানভেদে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকা। ১০০ টাকা বেড়ে কাটারিভোগ সিদ্ধ প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ টাকায়। অন্যদিকে ১০০-১৫০ টাকা বেড়ে মিনিকেট সিদ্ধ প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০-৬০০ টাকায়, পাইজাম সিদ্ধ ২ হাজার ৪০০-৫০০ টাকায়। আতপ চালের মধ্যে কাটারিভোগ আতপ ১৫০ টাকা বেড়ে প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৩০০ টাকায়। মিনিকেট আতপ বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ টাকা।

শুধু চাল নয়, বাজারে এখন ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম কেজিতে বেড়েছে ২-৩ টাকা। পাহাড়তলিতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, গত সপ্তাহের চেয়ে ৩ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫৮ টাকায়। ৫ টাকা বেড়ে দেশি মসুর ডাল (চিকন) প্রতি কেজি ১২০ টাকায়। একইভাবে মোটা মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। ২ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়।

এ সম্পর্কে পাহাড়তলি বাজারের মেসার্স আলমগীর স্টোরের মালিক রায়হান উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুই মাস ধরে বাজারে সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে চাল এবং তেলের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছিল ১৫৫ টাকা। এখন আমরা বিক্রি করছি ১৫৮ টাকা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডাল, তেল আর চিনির দাম এখন পাইকারিতেই বাড়ছে, তাই আমাদের খুচরায়ও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

ডাল, তেল ও চিনির অন্যতম পাইকারি বাজার নগরীর খাতুনগঞ্জে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই বাজারে পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল (চিকন) মানভেদে ১০৮-১১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা মোটা মসুর ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৯ টাকা। সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৬০০ টাকা। অপরদিকে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৬৬-৬৭ টাকা।

খাতুনগঞ্জের মেসার্স তৈয়বিয়্যা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সোলায়মান বাদশা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পাইকারিতে গত সপ্তাহের তুলনায় মসুর ডালের দাম কেজিতে ১-২ টাকা বেড়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী এখনো আমাদের দেশে দাম কম। কনটেইনার পরিবহনে খরচ বেড়েছে, যে কারণে এখন আমদানিতেও খরচ বেশি পড়ছে।

ছোলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাজারে এখন পর্যাপ্ত ছোলা আছে। রমজান সামনে রেখে আরও ছোলা আমদানি করা হবে। আসা করছি, রমজানে ছোলা নিয়ে সংকট তৈরি হবে না। দামও সহনশীল থাকবে। তবে চাহিদার বিপরীতে আমদানি কম হলে তখন দাম বেড়ে যাবে। এখন পর্যন্ত যে অবস্থা, তাতে দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    দোয়া সফলতার হাতিয়ার

    ফ্যাশনেবল ফিউশন

    নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে কর্মশালা

    ঘাটাইলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ ইটভাটা

    জরাজীর্ণ টিনের ঘরে ৩৮ বছর পাঠদান

    ৫ ইউপিতে আওয়ামী লীগের ৭ বিদ্রোহী

    বিআরটিএর অভিযান: স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ২৪ বাসে মামলা

    মানিকগঞ্জে কৃষক শাইজুদ্দিন হত্যা মামলায় ১ জনের ফাঁসির আদেশ

    শার্শায় শাকিব হত্যার ৩ আসামি গ্রেপ্তার

    গ্রাহক সেবা বাড়াতে আমাজনের সঙ্গে চুক্তি করছে টেলিনর

    রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ক্যাম্প চালু করল হোপ’ ৮৭ 

    কিংবদন্তিদের মেলায় যাওয়া হচ্ছে না রফিক সুমনদের