Alexa
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

১ কিমি নদীর দাম ১০ লাখ

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৫৫

বাঁধ দিয়ে সেচে ফেলা হচ্ছে নদীর পানি। নাটোরের সিংড়ায়। ছবি: আজকের পত্রিকা নাটোরের সিংড়ায় আত্রাইয়ের একটি শাখানদীর এক কিলোমিটার অংশ বেচে দিয়েছেন নেতারা। সেখানে বাঁধ দিয়ে পানি সেচা হচ্ছে মাছ ধরার জন্য। এতে চলনবিলে মাছের শূন্যতার পাশাপাশি বিলের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি নদীপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাতায়াত, বিশেষ করে কৃষকের উৎপাদিত ফসল ও জমি চাষাবাদে তেল-সার আনা-নেওয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

জানা গেছে, উপজেলার আনন্দনগর-কৃষ্ণনগর এলাকায় মাছ ধরার জন্য নদীর এক কিলোমিটার অংশ বিক্রি করা হয়েছে সাড়ে ১০ লাখ টাকায়। বিক্রির সঙ্গে জড়িত চামারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মালেকসহ স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মী।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক বলেন, ‘এটা আত্রাই নদীর শাখা। সরকারি খাল হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই এই খাল কেনাবেচা হয়।’

এলাকাবাসী জানান, সিংড়ার অধিকাংশ এলাকা চলনবিলবেষ্টিত।

মৎস্যভান্ডারখ্যাত এই চলনবিলের সঙ্গে রয়েছে আত্রাই নদীর গভীর সম্পর্ক। বছরজুড়ে চলনবিলের লক্ষাধিক কৃষক তাঁদের উৎপাদিত ফসল ও তেল-সার আনা-নেওয়ায় কাজে এই নদীপথ ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু আত্রাই নদীর শাখা সিংড়া উপজেলার আনন্দনগর ও কৃষ্ণনগরে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীর দুই পাশে মাটির বাঁধ দিয়ে সেচে মাছ শিকারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে একদিকে চলনবিলে মাছশূন্যতা ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট হতে বসেছে, অন্যদিকে কৃষকের উৎপাদিত ফসল ও জমি চাষাবাদে তেল-সার আনা-নেওয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

নদী সেচার কাজে ব্যস্ত আনন্দনগর গ্রামের রমিজুল ইসলাম ও পরোশ বলেন, তাঁরা এই জায়গা ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ২০-২১ জন গ্রামবাসী ভাগে কিনেছেন। এই অর্থ স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক, কৃষ্ণনগর গ্রামের আব্দুস সালাম, আলমাস এবং কলম ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামের আলম ও বদীকে দিতে হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, আনন্দনগর ঈদগাহ মাঠ এলাকায় নদীতে প্রায় দেড় মাস ধরে বাঁধ দিয়ে সেচে মাছ শিকারের প্রস্তুতি চলছে। ফলে কৃষকের চলাচলের একমাত্র নদীপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গরিব মানুষ মরলে কার বা কী আসে-যায়।

অভিযোগের বিষয়ে কৃষ্ণনগর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, ‘সরকারি খাল হলেও এখানে আমাদের নিজেদেরও কিছু জমি রয়েছে। আমরা যা করি সমাজের লোক নিয়েই করি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম সামিরুল ইসলাম বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে সেচে কেউ মাছ শিকার করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    দোয়া সফলতার হাতিয়ার

    শ্রীবরদীতে সারের কৃত্রিম সংকট, বেশি দামে বিক্রি

    ফ্যাশনেবল ফিউশন

    নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে কর্মশালা

    ঘাটাইলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ ইটভাটা

    মানিকগঞ্জে কৃষক শাইজুদ্দিন হত্যা মামলায় ১ জনের ফাঁসির আদেশ

    শার্শায় শাকিব হত্যার ৩ আসামি গ্রেপ্তার

    গ্রাহক সেবা বাড়াতে আমাজনের সঙ্গে চুক্তি করছে টেলিনর

    রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ক্যাম্প চালু করল হোপ’ ৮৭ 

    কিংবদন্তিদের মেলায় যাওয়া হচ্ছে না রফিক সুমনদের

    দুর্নীতি রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ডিসিদের সহযোগিতা চায় দুদক