Alexa
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে কোক স্টুডিও

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৫৫

মমতাজ, বাপ্পা মজুমদার, কণা, অর্ণব যাঁরা ইউটিউবে নিয়মিত গান শোনেন, তাঁদের কাছে ‘কোক স্টুডিও’ খুবই পরিচিত একটি নাম। এই স্টুডিওতে ধারণ করা ভারত-পাকিস্তানের অসংখ্য গান বাংলাদেশের মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এর মধ্যে পাকিস্তানের কোক স্টুডিওর ফিউশন বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। কোক স্টুডিওর জনপ্রিয়তার সুবাদে এর আদলে আরও বেশ কিছু অনুষ্ঠান তৈরি হলেও জনপ্রিয়তায় কোক স্টুডিওকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি।

বাংলাদেশে কোক স্টুডিও

পাকিস্তান ও ভারতের পর এবার বাংলাদেশেও তৈরি হচ্ছে কোক স্টুডিও। গ্রে অ্যাডভার্টাইজিং বাংলাদেশের ম্যানেজিং পার্টনার ও কান্ট্রি হেড সৈয়দ গাউসুল আলম শাওন খবরটি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, শিগগিরই বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে কোক স্টুডিও। বড় আয়োজনেই হবে এই জনপ্রিয় গানের অনুষ্ঠান। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। তার আগে বিস্তারিত বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিল্পী বলেন, কোক স্টুডিও সাধারণ যে দেশে তৈরি হয়, ওই দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ফোক গানকে প্রাধান্য দেয়। এখানেও তা-ই হচ্ছে। তিন মাস ধরেই ঢাকার বনানী, তেজগাঁওসহ তিনটি স্টুডিওতে চলছে কোক স্টুডিও কার্যক্রম। চলতি সপ্তাহে শুটিং হয়েছে দীপ্ত টিভির স্টুডিওতে। মূলত ফোক গান দিয়েই সাজানো হবে প্রথম সিজন। অর্ণব, মিজান, পান্থ কানাই, মমতাজ, বাপ্পা মজুমদার, কণাসহ অনেকেই অংশ নিচ্ছেন অনুষ্ঠানে।

শুরুর গল্প

২০০৭ সালে প্রথম এমটিভি ব্রাজিলে প্রচার শুরু হয় ব্রাজিলীয় সংগীত অনুষ্ঠান স্টুডিও কোকা-কোলা। সেই অনুষ্ঠানের সূত্র ধরে আফ্রিকার লোকজ শিল্পীদের সঙ্গে তারকা গায়কেরা এখন নিয়মিত মিউজিক ফিউশন করছেন। ন্যাস্টি সি, রানটাউন, একেএ, প্যাটোরেঙ্কিংয়ের মতো ব্যান্ড ছাড়াও সেখিনার মতো নতুন শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। এর আদলেই পরের বছর ২০০৮ সালে পাকিস্তানে শুরু হয় কোক স্টুডিও। অনুষ্ঠান দুটির মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে ব্রাজিলের স্টুডিও কোকা-কোলা তৈরি হতো কনসার্টের মতো করে। আর পাকিস্তানের কোক স্টুডিও পুরোপুরিই ইনডোর, স্টুডিও ভিত্তিক অনুষ্ঠান। পাকিস্তানের কোক স্টুডিও অনুষ্ঠানটি পৃষ্ঠপোষকতা করে কোকা-কোলা এবং পাকিস্তানের ব্যান্ড ভাইটাল সাইনসের প্রতিষ্ঠাতা রুহেইল হায়াত ও তাঁর স্ত্রী আম্বার হায়াত। অনুষ্ঠানের ১৪তম সিজন শুরু হয়েছে। পাকিস্তানে জনপ্রিয়তা পেলে আন্তর্জাতিক ফ্রাঞ্চাইজির মাধ্যমে ভারতের এমটিভির সঙ্গে যুক্ত হয়ে শুরু হয় কোক স্টুডিও ভারতীয় অনুষ্ঠান। ২০১১ সালে শুরু হওয়া ভারতীয় কোক স্টুডিও চলে ২০১৪ সাল পর্যন্ত।মমতাজ 

কী আছে?

ফিউশন হচ্ছে এমন একধরনের মিউজিক, যেখানে একাধিক ধরনের মিউজিক একসঙ্গে যুক্ত করা হয়। পাকিস্তানের বিভিন্ন আঞ্চলিক ফোক গানের ফিউশন হয়েছে কোক স্টুডিওতে। আবিদা পারভীন, রাহাত ফতেহ আলী খান, আতিফ আসলাম, ফারহান সাঈদ, হাদিকা কিয়ানির মতো শিল্পীদের মুখে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে গানগুলো। জনপ্রিয় শিল্পীর পাশাপাশি নতুনরা তৈরি করেছেন নতুন সুরে গান। সুফি, ক্ল্যাসিক্যাল, রাগা, ফোক ধাঁচের ওস্তাদ শিল্পীরা পাকিস্তানের কোক স্টুডিওতে গান করেন। তাঁদের সঙ্গে ফিউশন করেন বিভিন্ন ব্যান্ড ও শিল্পীরা। কোক স্টুডিওর কল্যাণে পাকিস্তানের ‘চালো মাদিনে চলে’, ‘আফরি’র মতো বেশ কিছু গান বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পাকিস্তানি গায়ক আলমগীর হক বাংলা-উর্দু মিশিয়ে গেয়েছিলেন ‘আমায় ভাসাইলি রে’ গানটি। যদিও তাঁর জন্ম বাংলাদেশেই। তিনি উইলস লিটল ফ্লাওয়ার, পিএএফ শাহীন কলেজ ছাড়াও জয়পুরহাট ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা করেছেন।

ভারতের কোক স্টুডিওতে অংশ নিয়েছেন এ আর রহমান, রাম সম্পদ, সেলিম-সোলায়মান, জুবিন, কেকে, শান, সুনিধি, শংকর মহাদেবান, পাপনসহ অনেকেই। বাংলাদেশের বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলও গেয়েছেন ভারতীয় টেলিভিশন এমটিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘কোক স্টুডিও’তে। গাওয়া হয়েছে ‘মিলন হবে কত দিনে’র মতো বাংলা গান।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    দোয়া সফলতার হাতিয়ার

    ফ্যাশনেবল ফিউশন

    নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে কর্মশালা

    ঘাটাইলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ ইটভাটা

    জরাজীর্ণ টিনের ঘরে ৩৮ বছর পাঠদান

    ৫ ইউপিতে আওয়ামী লীগের ৭ বিদ্রোহী

    দুর্নীতি রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ডিসিদের সহযোগিতা চায় দুদক

    ৪ জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস

    ৭০০ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট চালুর মাইলফলক অর্জন করল ব্র্যাক ব্যাংক

    জীবন বীমার এমডিসহ দুজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    জাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে ইউজিসি, শিক্ষক সমিতির আপত্তি

    ওমিক্রন নিয়ে সংশয়ের মূল বর্ণবাদ, দাবি দ. আফ্রিকান বিজ্ঞানীদের