Alexa
বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 

তৈমুরের প্রচারে চমক

তৈমুরের প্রচারে জাতীয় পার্টির নেতারা

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৪৭

বন্দরের শাহি মসজিদ এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার।tছবি: হাসান রাজা ভোটের মাঠে একের পর এক নাটকীয়তার জন্ম দিচ্ছেন বিএনপি থেকে অব্যাহতি পাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রথম চমক দেখান তিনি। এরপর একে একে দলের সব পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরও থেমে নেই তৈমুর। বিপুল বিক্রমে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ভোটের মাঠ। গতকাল ছুটির দিনে বিএনপির পাশাপাশি জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতাদের নিয়ে প্রচার চালিয়ে নতুন চমক দেখালেন তৈমুর। ভোটের সমীকরণে যুক্ত করলেন ভিন্ন মাত্রা। এ নিয়ে আলোচনায় মুখর এখন সবাই।

গতকাল বন্দরের ২২ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে হাতি মার্কার পক্ষে প্রচারে নামেন তৈমুর। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ ও নাগরিক কমিটির নেতা এস এম আকরাম। তবে সবার নজর কেড়েছেন ওই প্রচারে অংশ নেওয়া চারজন, যাঁরা জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সম্প্রতি বন্দরের চারটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন, কলাগাছিয়ার দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দরের এহসান উদ্দিন আহমেদ, মুছাপুরের মাকসুদ হোসেন এবং ধামগড়ের কামাল হোসেন। তাঁরা সবাই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এবং শামীম ওসমানের ভাই সেলিম ওসমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের শরিক জাতীয় পার্টি বিগত নির্বাচনগুলোতে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে থেকেছেন অথবা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমন্বয় করেছেন। কিন্তু এবারের সিটি নির্বাচনে শুরু থেকে নীরব ছিলেন জাপা নেতারা। দলটির কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় পর্যায় থেকেও নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামার ইঙ্গিত মেলেনি। হুট করে গতকাল নবনির্বাচিত চার ইউপি চেয়ারম্যান তৈমুরের পক্ষে মাঠে নামায় বদলে গেছে আলোচনার গতিপথ।

আবার সেলিম ওসমানপন্থী চারজন তৈমুরের পক্ষে মাঠে নামায় দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছেন অনেকে। গুঞ্জন ছিল, নৌকার প্রার্থী আইভীকে ঠেকাতে শামীম ওসমান নিজেই তৈমুরকে মাঠে নামিয়েছেন। এবার সেলিম ওসমানের লোকেরা তৈমুরের পক্ষে নামায় ওই গুঞ্জন আরও জোরালো হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে তৈমুরের প্রতি ওসমান পরিবারের পরোক্ষ সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তবে এ প্রসঙ্গে খুব কৌশলী বক্তব্য দিয়েছেন তৈমুর। গতকাল প্রচারের সময় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমি সাড়ে পাঁচ লক্ষ ভোটারেরই সমর্থন চাই। আওয়ামী লীগের ভোটাররা এই শহরের নাগরিক। তারাও ভালো মন্দ বুঝে। তারাও বাড়তি ট্যাক্সের বোঝা বহন করে। প্রার্থী হিসেবে আমি সকলের কাছেই যাব।’

নিজের রাজনৈতিক পরিচয় আবারও মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার শরীর কেটে টুকরো টুকরো করলে যে আওয়াজটা আসবে সেটার নাম বিএনপি। পানি কাটলে দুই টুকরো হবে, কিন্তু আমার সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক দুই টুকরো হবে না। আমার পাশে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ সবাই আছে। তারা যা করেছে বুঝে শুনে করেছে। বিএনপির ভোট নৌকায় যাবে না। উল্টো অন্য মার্কার ভোট আমার কাছে আসবে।’

গতকাল বিএনপি নেতাদের মধ্যে তৈমুরের সঙ্গে ছিলেন, বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি নুর উদ্দিন, সদর থানা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী নাহিসুল ইসলাম সাদ্দাম প্রমুখ।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    বেড়েছে তালশাঁসের কদর

    নোয়াখালীর বাতাসে ভাসছে বিষ

    হত্যা মামলার চার আসামি কাউন্সিলর প্রার্থী

    বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, বিক্ষোভ

    হিজলের কোমল রেশমি পরশ

    গার্দিওলা-ক্লপের বৈপরীত্যই ফুটবলের সৌন্দর্য

    টিভিতে আজকের খেলা (২৬ মে ২০২২, বৃহস্পতিবার)

    সিরাজগঞ্জে ইজিবাইক চালকের হাত পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

    রাঙামাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তার মৃত্যু

    জীবনে ভোগ নাকি উপভোগ

    সিরাজগঞ্জে ট্রাক-লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪