Alexa
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 
ফিরে দেখা

প্রশাসনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিরোধ

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৩:০৬

মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ফুরফুরে মেজাজে থাকলেও ২০২১ সালের ‘১৮ আগস্ট’ গত বছর সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায় নগর আওয়ামী লীগের। ওই দিন রাতে শোক দিবসের ব্যানার খোলাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের তুলকালাম কাণ্ড ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর বাসভবন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘেরাও এবং মেয়রসহ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়। চলে ব্যাপক ধরপাকড়। এ ঘটনায় দেশব্যাপীও আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর তাদের রাজনৈতিক কৌশলে নমনীয়তার চর্চা শুরু করেছে বরিশালে।

গত ১৮ আগস্ট রাতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়ে নগর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সদর উপজেলা চত্বরে ব্যানার পোস্টার অপসারণে যায়। এ সময় সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবর রহমান শোক দিবসের ব্যানার অপসারণে বাধা দিলে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে দায়িত্বরত আনসারদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মীদের হট্টগোল বাধে। একপর্যায়ে ইউএনও’র বাসভবনে হামলার অভিযোগ তুলে আনসাররা গুলিবর্ষণ করে। ছুটে যান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

পরদিন ১৯ আগস্ট বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে সকল যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বন্ধ ছিল লঞ্চও। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বেলা ১২টার দিকে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর কালিবাড়ি রোডের বাসভবনে র‍্যাব, পুলিশ ঘেরাও করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। সেখানে ছুটে যান আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা-কর্মীরা। তবে প্রশাসনের হার্ড লাইনের অবস্থানের কারণে কেউ ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। ওই সময় মেয়র সাদিক বাসভবনেই অবস্থান করছিলেন বলে জানা যায়।

বেলা পৌনে ১টার দিকে হঠাৎ খবর আসে অবরোধ মেয়রের নির্দেশে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারপর দ্রুত সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সরে যায়।

ওই ঘটনায় মেয়র সাদিককে প্রধান আসামি করে পৃথক দুটি মামলা হয়েছিল। পরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনা সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করলে মেয়র সাদিকের পক্ষে বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে জনপ্রতিনিধিরাও ঐক্যবদ্ধ হয়ে দফায় দফায় সংবাদ সম্মেলন করে।

ধীরে ধীরে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে ২৩ আগস্ট সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর সঙ্গে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে সমঝোতা হয়। পরে মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা জামিন পান। মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ দীর্ঘদিন রাজধানীতেও অবস্থান করেছিলেন।

অবশ্য এমন তোলপাড় ঘটনার পর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস একাধিক সভা সমাবেশে প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ না ঘটানোর জন্য নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন। মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আফজালুল করিম জানান, তিনি একাধিক সভায় বলেছেন, জনগণের জন্যই তাদের রাজনীতি। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ লক্ষ্যেই সামনে এগোতে হবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    পণ্য নিয়ে জাহাজ আটকা

    যমুনায় বাড়ছে পানি, তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমি

    শত মিটারের যত ভোগান্তি

    দোকানে দখল আশ্রয়ণের জমি

    বৃদ্ধকে শিকলে বেঁধে ঘরবন্দী, গ্রেপ্তার ২

    বোরো ধানে লোকসানের শঙ্কা

    মাদারগঞ্জে তিন সহোদরকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মামলা দায়ের

    স্বামী-সতিনকে ফাঁসাতে শিশু সন্তানকে হত্যার অভিযোগ, আদালতে মামলা

    কিশোরের বিরুদ্ধে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

    ফেসবুক-টিকটক সূত্রে পরিণয়, তরুণীকে ভারতে পাচার

    ফজলি আমের জিআই পেল রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ দুই জেলায়

    নেত্রকোনায় কুপিয়ে জখম করা সেই স্কুলছাত্রীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা