Alexa
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 

দরপত্র দাখিলে বাধা, ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৪:৫২

দরপত্র দাখিলে বাধা, ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ, ধোলাই ও স্টেশনারি-২-এর দরপত্র দাখিলের সময় বাধা ও দরপত্রের কাগজ ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে সামশুল আলম ও মাজহারুল নামের দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গত রোববার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী ঠিকাদার উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের কাশিডাঙ্গা গ্রামের বুধু মোহাম্মদের ছেলে মাহাবুব আলম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।

সামশুল আলম উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের জোতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মাজহারুল ইসলামের বাড়ি বড়বাড়ী ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গী গ্রামে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ, লিলেন (ধোলাই) ও স্টেশনারি-২-এর দরপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ১৯ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত। বেলা ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠিকাদার মাহাবুব আলম দরপত্র দাখিল করতে এলে বাধা দেন সামশুল আলম ও মাজহারুল। বাধা অতিক্রম করে দরপত্র দাখিলের চেষ্টা করলে দরপত্রের কাগজপত্র ছিঁড়ে দেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী মাহাবুব আলম গতকাল সোমবার সকালে আজকের পত্রিকাকে জানান, অভিযোগ দেওয়ার পর অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

তবে অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে সামশুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দরপত্র দাখিলের সময় আমরা দুজনেই সেখানে ছিলাম না। তাঁকে দরপত্র দাখিলে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়নি। আমরা যেহেতু কোনো দরপত্র দাখিল করিনি, তাহলে বাধা কেন দেব? তা ছাড়া মাহাবুব আলম দরপত্র দাখিল করেছে কোনো বাধা ছাড়াই। সেটির ভিডিও রয়েছে। এখন নিজেই যদি কাগজপত্র ছিঁড়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, এ ক্ষেত্রে আমাদের কী করার আছে?’

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এস এম আলমাস বলেন, ‘আমি একটি বিশেষ প্রশিক্ষণে ঢাকায় আছি। তবে দরপত্র দাখিলে বাধা প্রদানের একটি অভিযোগ দপ্তরে জমা দিয়েছেন একজন ঠিকাদার। বিষয়টি আমার স্টাফ মোবাইর ফোনে জানিয়েছেন। ওই ঠিকাদারকে থানায় ও ইউএনও বরাবরে লিখিতভাবে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

অভিযোগ রয়েছে, চলমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ, লিলেন (ধোলাই) ও স্টেশনারি-২-এর দরপত্র গত জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা। অথচ সেই দরপত্র কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডিসেম্বরে। বিষয়টি স্বীকার করে সিভিল সার্জন নুর নেওয়াজ আহাম্মেদ।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    পণ্য নিয়ে জাহাজ আটকা

    যমুনায় বাড়ছে পানি, তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমি

    শত মিটারের যত ভোগান্তি

    দোকানে দখল আশ্রয়ণের জমি

    বৃদ্ধকে শিকলে বেঁধে ঘরবন্দী, গ্রেপ্তার ২

    বোরো ধানে লোকসানের শঙ্কা

    ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেও 

    এডিস নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ সিটিতে ১৫ জুন থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত