মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

আটককৃত পণ্যের সামনে গোয়েন্দা দল। ছবি: চট্টগ্রাম কাস্টমস গোয়েন্দা

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সম্মানিত মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আঞ্চলিক কার্যালয় , চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমদানিকারক তিন্নি ফেব্রিকস নারায়নগঞ্জ এবং আমদানিকারক সার্টেইন প্লানেট কর্তৃক যথাক্রমে বি/ই নং সি-৮৮৩৩৫০, তারিখ ২৮ মে এবং বি/ই নং সি-৮৪৬৭৫০, তারিখ ২৩ মে এর মাধ্যমে আমদানিকৃত দুটি চালান এ দপ্তর কর্তৃক খালাস সাময়িক স্থগিত করা হয় ।

চালান দুটি খালাসের দায়িত্বে নিয়োজিত সি এন্ড এফ এজেন্ট এসবিএল ট্রেডিং হাউজ তাহের বিল্ডিং।

কাস্টমস গোয়েন্দার নিকট নিশ্চিত গোয়েন্দা তথ্য থাকায় পণ্য চালান দুটির কায়িক পরীক্ষা করা হয়।
পণ্যচালান দুটি এ দপ্তরের শতভাগ কায়িক পরীক্ষায় শুধু Eyelet ৩০ হাজার ৮৫৬ কেজি ঘোষনা থাকলেও ৪৫ হাজার ৭০৫ কেজি কার্টেইন/চেনিল এবং ১ হাজার ৭২৭ কেজি ইয়েলেট পাওয়া যায়।

পণ্যগুলোর শুল্কায়নযোগ্য মোট আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৭ হাজার ৪৪৭ টাকা এবং ফাঁকিকৃত শুল্ককরের পরিমান আনুমানিক ১ কোটি ৫৫ লাখ ৮৬ হাজার ১৬১ টাকা।

কাস্টমস গোয়েন্দার পদক্ষেপের ফলে সরকারের বিপুল পরিমান রাজস্ব সুরক্ষিত হয়েছে।

আজকের পত্রিকা/এমইউ