‘দিশা’ এর উদ্দেশ্য আয়োজিত বই বিতরণ অনুষ্ঠানে। ছবি: সংগৃহীত

মানসম্পন্ন ও সৃজনশীল বই প্রকাশ ও সমৃদ্ধ গণগ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ২০০৪ সাল থেকে ডেভেলাপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ ফর সোশাল এডভান্সমেন্ট (দিশা) এর সামাজিক উদ্যোগ ’আলোঘর’।

২১ মে মঙ্গলবার বাংলা একাডেমি প্রঙ্গণে কবি শামসুর রাহমান কক্ষে একটি সেমিনার আয়োজন করে।

তরুণ সমাজকে মাদকাশক্তি, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধপ্রবণতা থেকে মুক্ত রাখতে দেশের ২৮টি জেলার ৩৮টি গণগ্রন্থাগারে বই অনুদান হিসেবে প্রদান করা হয় এই সেমিনারে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান (এমপি), ফেরদৌসী ইসলাম জেসী (এমপি), বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, সিডিএফ এর নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুল আউয়াল, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

এ ছাড়াও সেমিনারের উদ্দেশ্য উপস্থাপন করতে বক্তব্য রাখেন ‘দিশা‘ ও ‘আলোঘর’ এর প্রধান নির্বাহী মো. সহিদ উল্লাহ্। তিনি বলেন, ‘জ্ঞান বিকাশে বইয়ের বিকল্প নেই।’ তিনি এ কার্যক্রমটির সফলতা ও ধারাবাহিকতা প্রত্যাশা করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

‘আলোঘর’ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা পাঠাগার সমূহকে বই প্রদানসহ নানামুখী কার্যক্রমে সংযুক্ত রাখার যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা একটি মাইলফলক। এটাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সাধুবাধ জানাই।’

বিশেষ অতিথি ফেরদৌসী ইসলাম জেসী এমপি বলেন, ‘আলোঘর মূলত: একটি বই পড়ার আন্দোলন। শিক্ষা, জ্ঞান তথ্য সমৃদ্ধকরণ এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দিশার একটি সহযোগী প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, যা বেশ প্রসংশার দাবীদার।’

সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান বলেন, ‘দিশার কর্ণধার মো. সহিদ উল্লাহ বই পড়া ও পড়ানোর যে উদ্যোগটি নিয়েছেন সেটাকে রীতিমতো আন্দোলন বলাচলে। যে আন্দোলনে আমাদের সবার জড়িত থাকা জরুরি।’

বাংলাদেশের ২৮টি জেলা থেকে আগত ৩৮টি কমিউনিটি ভিত্তিক গণগ্রন্থাগার এর প্রতিনিধি, আলোঘর পাঠক এবং দিশার অন্যান্য সিনিয়র কর্মকর্তারা সেমিনারে উপস্থিত থেকে অতিথিদের বক্তব্য শোনেন। বক্তব্য শেষে ৩৮ টি গণগ্রন্থগারের প্রতিনিধিদের হাতে বই তুলে দেওয়া হয়।দিশার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ‘আলোঘর’ প্রকাশনার লেখক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা নাজমুল হুদা।

আজকের পত্রিকা/এসএ