২২শে আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।

সোমবার দুপুরে, সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি দু’জনই ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। তারা বলছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে যতরকমের সহযোগিতা প্রয়োজন তারা তা দেবেন। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মিয়ানমারকে বোঝানোর জন্য চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এরইমধ্যে দু’বার মিয়ানমার পাঠানো হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে আবারও তাকে মিয়ানমার পাঠানো হবে।’

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করেনি। এবারও হঠাৎ করে ৩ হাজার ৪৫০ জনকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে দেশটি। এর আগেও, মিয়ানমার তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় এবারেও প্রত্যাবাসন নিয়ে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। তারপরেও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মাঠপর্যায়ে সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ।

-আজকের পত্রিকা