বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির লোগো। ছবি : সংগৃহীত

২০ রোজার আগেই গার্মেন্টস শ্রমিকসহ শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-বোনাস-ভাতা পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ। ২৪ মে শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আবু হাসান টিপুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, কেন্দ্রীয় নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আনছার আলী দুলাল, রাশিদা বেগম, মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, এ্যাপোলো জামালী, সজীব সরকার রতন, শাহাদাৎ হোসেন খোকন, মাহমুদ হোসেন, ডা. খন্দকার মোসলেউদ্দীন প্রমুখ।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির এই সভায় গৃহীত রাজনৈতিক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দেশে বিদ্যমান যে কবরের শান্তি বিরাজ করছে তা গণতন্ত্র নয়। সরকারের একদলীয় চরম কর্তৃত্ববাদী দমনমূলক স্বৈরতান্ত্রিক শাসন যেভাবে জনগণের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দিয়েছে তা দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে এক গভীর খাদের অনিশ্চিত অন্ধকারে নিক্ষেপ করেছে।

সভায় আরো বলা হয়, সরকার দমন করে শাসন করার যে নীতি গ্রহণ করেছে তা মানুষের মনের পুঞ্জিভূত ক্ষোভ কেবল আরও বাড়িয়ে দেবে। দেশ শাসনের এ কৌশল শেষ অবধি দেশ ও সরকারের জন্য আত্মঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

সভায় গৃহীত আর এক প্রস্তাবে বলা হয়, ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদির বিজয়ের মধ্য দিয়ে চরম হিন্দুত্ববাদী ও উগ্র জাতীয়তাবাদী বিভাজনের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি আরও পরিপুষ্ট হলো, পিছিয়ে পড়ল বহুত্ববাদী অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ধারার রাজনীতি।

প্রস্তাবে বলা হয়, বাংলাদশের পাশ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে বিজেপির ঘৃণাশ্রয়ী উসকানিমূলক সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ক্রমবিস্তার বাংলাদেশের জন্যও নতুন আশঙ্কা তৈরি করেছে। প্রস্তাবে উপমহাদেশে ফ্যাসিবাদের বিস্তারের বিরুদ্ধে এ অঞ্চলের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের আহ্বান জানানো হয়।

আজকের পত্রিকা/আর.বি/আ.স্ব