২০২১ সালে আমাদের প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ দুই অঙ্কের লক্ষ্যমাত্রায় পৌছানো সম্ভব হবে। ছবি: সংগৃহীত

২০১৮ পঞ্জিকাবর্ষে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ নেট বৈদেশিক বিনিয়োগ পাওয়া গেছে ৩.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা পূর্ববর্তী বছরের প্রাপ্ত ২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে ৬৮ ভাগ বেশি। ২০১৮ পঞ্জিকাবর্ষে প্রত্যক্ষ গ্রস বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ ৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, এই বৈদেশিক বিনিয়োগ পূর্ববর্তী বছর সমূহের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। আশা করা যায় ২০২১ সালে আমাদের প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ দুই অঙ্কের লক্ষ্যমাত্রায় পৌছানো সম্ভব হবে।

২০১৮ পঞ্জিকাবর্ষে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের মূল বৈশিষ্ট্য: 

(ক) ২০১৮ সালেই প্রথম চীন সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে আবিভূর্ত হয়েছে;
(খ) সমমূলধন (Equity Investment) হিসেবে প্রাপ্ত বিনিয়োগ গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি অর্জিত হয়েছে, যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ বিনির্মাণে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকা প্রদান করায় বিনিয়োগ প্রসারের ক্ষেত্রে গৃহীত কার্যক্রম কার্যকরী হচ্ছে মর্মে প্রতীয়মান হয়;
(গ) পুনঃবিনিয়োগ খাত ও গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাংলাদেশে অব্যাহত রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়;
(ঘ) আন্তঃ কোম্পানি ঋণের পরিমাণ বিনিয়োগে গত বছরের তুলনায় ৪ গুণের বেশি হয়েছে। যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছ্যন্দতা প্রতিফলিত হয়েছে;
(ঙ) গতবারের ন্যায় এবারও সর্বোচ্চ বিনিয়োগ এসেছে বিদ্যুৎখাতে, এরপরই খাদ্য ও বস্ত্র খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ অর্জিত হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় ১৯৯৫ পঞ্জিকা বর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৯২ মিলিয়ন। ২০০৮ পঞ্জিকাবর্ষে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ১ বিলিয়ন অতিক্রম করে, যা ২০০৯ পঞ্জিকাবর্ষে আবারও ১ বিলিয়নের নিচে নেমে যায়। ২০১১ পঞ্জিকা বর্ষ হতে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ পঞ্জিকাবর্ষে ৩.৬ বিলিয়নে এসে পৌছেছে।

আজকের পত্রিকা/এমইউ/সিফাত