চিংড়ি মাছ রপ্তানি করা হয় । ছবি: সংগৃহীত

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬৮ হাজার ৯৩৫ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রফতানি করে ৪ হাজার ৩০৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা আয় করেছে বলে জানিয়েছেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু।

১১ মার্চ সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আছলাম হোসেন সওদাগরের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘মৎস্য ও মৎস্যপণ্য বাংলাদেশের রফতানির অন্যতম প্রধান খাত। বাংলাদেশ থেকে প্রধানত গলদা, বাগদা, হরিণাসহ বিভিন্ন জাতের চিংড়ি, স্বাদু পানির মাছের মধ্যে কার্প জাতীয় মাছ রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি, ক্যাটফিস জাতীয় মাছ আইর, টেংরা, বোয়াল, পাবদা ইত্যাদি, কৈ, কুচিয়া প্রভৃতি, সামুদ্রিক মাছের মধ্যে ভেটকী, দাতিনা, রূপচাদা, কাটল ফিস, কাঁকড়া, ইত্যাদি রফতানি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এছাড়াও শুঁটকি মাছ, হাঙ্গরের পাখনা, মাছের আঁইশ এবং চিংড়ির খোলসও রফতানি করা হয়ে থাকে।

মৎস্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহ, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, রাশিয়া, চীন, ভারত, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অ্যাংগোলা, বাহরাইন, কানাডা, হংকং, জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, মেক্সিকো, মালদ্বীপ, কুয়েত, মরক্কো, সিঙ্গাপুর, কাতার, মৌরিসাস, মায়ানমার, ইউক্রেনসহ বিশ্বের ৫০টিরও অধিক দেশে বাংলাদেশের মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রফতানি করা হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহ বাংলাদেশের মৎস্য ও মৎস্যপণ্যের প্রধান বাজার।

আজকের পত্রিকা/আরবি/জেবি