ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত “পর্যটন ও কর্মসংস্থান” শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এমপি।

২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পর্যটনের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জানালেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি।

তিনি বলেন, এই ১৮ মাসের মধ্যে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পন্ন হবে। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা পরামর্শক নিয়োগ প্রায় সম্পন্ন করেছি। পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পন্ন হওয়ার পর সেখানে থাকা স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা দেশের পর্যটন উন্নয়নের স্বার্থে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

রবিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত “পর্যটন ও কর্মসংস্থান” শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অথিতির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যটন মহাপরিকল্পনা অনুসারে কাজ করলে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের গুণগত ও আঙ্গিকগত পরিবর্তন সাধিত হবে এবং তা আমাদের পর্যটন শিল্পের বিকাশে সহায়ক হবে। পর্যটন শিল্পের গুণগত পরিবর্তন আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসারে কাজ করে যাচ্ছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। কক্সবাজার ও সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় আমরা “এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন” গড়ে তোলার জন্যে কাজ করছি। দেশের এই এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনগুলোতে প্রচুর সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মাহবুব আলী বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি অংশীজনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে বেসরকারি পর্যায়ে আমাদের অংশীজনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে হোটেল-মোটেল,রিসোর্ট, ইকোপার্ক, থিমপার্ক সহ পর্যটনের নানা অনুষঙ্গ গড়ে উঠছে। পর্যটন শিল্পকে ঘিরে যত বেশি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে ততবেশি আমাদের দেশীয় যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে এই শিল্পে। পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় নির্ধারিত “শোভন কর্মসংস্থান” সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। পর্যটন শিল্পের বিকাশে, দেশের জনগণের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে, সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের “সোনার বাংলা” গড়ে তোলার স্বার্থে আমরা সবসময়ই আমাদের পর্যটন খাতের অংশীজনদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি খবির উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে সৈয়দ ইশতিয়াক রেজার সঞ্চালনায় সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস,বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডঃ ভুবন চন্দ্র বিশ্বাসসহ পর্যটন শিল্পের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।