২ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় গ্রন্থাগারের ভিআইপি সেমিনার হলে বাংলাদেশ কবি পরিষদের (বাকপ) উদ্যোগে
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া প্রবাসী কবি জলশ্রী বাণী ডিয়াযের আগমন উপলক্ষ্যে এক হেমন্তসন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন দেশবরেণ্য একাধিক কবিসহ পরিষদের সদস্যরা। সুধীজনের উপস্থিতিতে এটি হয়ে ওঠে কবিদের মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতাপাঠ, আবৃত্তি ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন কবি ও শিল্পীরা। পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি মাহাবুবা লাকির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন কবি নির্মলেন্দু গুণ, অসীম সাহা, ড. নূহউল-আলম লেনিন, রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক, ড. মোহাম্মদ আলী খান, নবীরুল ইসলাম, বিমল গুহ, সিরাজুল ইসলাম মুনীর এবং সাজেদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে কবি নির্মলেন্দু গুণ তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন। তাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। এ সময় তিনি বিদেশে থেকেও কবি বাণী ডিয়ায বাংলা সাহিত্যচর্চা বজায় রেখেছেন বলে তাকে ধন্যবাদ জানান।

কবি অসীম সাহা অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে বলেন, ‘কবির মনের অনুভূতিগুলোকে সুনিয়ন্ত্রিত ও পরিশীলিতভাবে লেখনির মাধ্যমে প্রকাশ করার নামই কবিতা। কোনোকিছুকে সুন্দরভাবে উপমা ও রূপকের মাধ্যমে ধরে রাখাই কবির কাজ। সাহিত্যের সবচেয়ে সূক্ষ্ম বিষয় হলো কবিতা। এ জন্য কবিতা-নির্মাণ সহজ নয়। কবি বাণী ডিয়াযের কবিতায় এ বিষয়টি লক্ষ্য করা যায়। তিনি সুদূর ক্যালিফোর্নিয়াতে বসেও যে নিজের মধ্যে এক টুকরো বাংলাদেশকে ধারণ করে রেখেছেন, এজন্য তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বাণী ডিয়ায বলেন, ‘আমার অনেক দিনের ইচ্ছা দেশে এসে সবার সঙ্গে দেখা করার। এতদিন তা হয়ে ওঠেনি। আজ আমার ডাকে জ্ঞানীগুণীরা এসেছেন, এজন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।’

আজকের পত্রিকা/সিফাত