ইসলামের শিক্ষা হলো, মানুষের সঙ্গে মার্জিত ভঙ্গিতে হাসিমুখে কথা বলা। ছবি:সংগৃহীত

মানুষের আচরণে ফুটে ওঠে অনেক কিছু। স্পষ্ট হয় তাঁর শিক্ষা ও শিষ্টাচার, রুচি ও ব্যক্তিত্ববোধ, মন ও মানসিকতা। তাই ইসলামের শিক্ষা হলো, মানুষের সঙ্গে মার্জিত ভঙ্গিতে হাসিমুখে কথা বলা।

তা ছাড়া পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতে হাসিমুখে কথা বলা সামাজিকতা ও মানবিকতার দাবি। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হারেস (রা.) বলেছেন, মুচকি হাসিতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চেয়ে অগ্রগামী কাউকে আমি দেখিনি। (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস : ২২৭)

মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলার গুরুত্ব দিতে গিয়ে নবী (সা.) তাঁর এক প্রিয় সাহাবি আবু জার (রা.)-কে বলেছিলেন, ‘কোনো ভালো কাজকেই তুচ্ছ মনে করবে না, এমনকি তা যদি তোমার ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করার বিষয়ও হয়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৬২৬)

এছাড়াও হাসি শরীরে স্ট্রেস হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং রোগ প্রতিরোধক শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন বৃদ্ধি করে। ফলাফল মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, হাসার সময় শরীরে রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়, রক্তনালিগুলো প্রসারিত হতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শিরা-ধমনির ওপর চাপ কম পড়ে। আর এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমায়। তাই রক্তচাপ কমাতে প্রফুল্ল থাকুন।

আজকের পত্রিকা/এসএমএস