মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড লোগো। ছবি: সংগৃহীত

হালাল অ্যাক্রেডিটেশন স্কিম চালু করবে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)। এর আওতায় হালাল সনদ প্রদানকারী ল্যাবরেটরিগুলোকে অ্যাক্রেডিটেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এর ফলে হালাল খাদ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক মান (আইএসও) ১৭০২০ এর ওপর বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড আয়োজিত ‘২৪তম বিএবি অ্যাসেসর কোর্স’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে আজ এ তথ্য জানানো হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

বিএবি’র মহাপরিচালক মো. মনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবদুল হালিম। এতে প্রশিক্ষণার্থী ও কিউট্যাক্স সল্যুশনস্ লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক (ল্যাব) আসমা জান্নাহ্ এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এসজিএস বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড অব কোয়ালিটি মোহাম্মদ আমানুল হক বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্প সচিব বলেন, উন্নয়নশীল বাংলাদেশ ২০৪১ সাল নাগাদ একটি শিল্পোন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। এ লক্ষ অর্জনে ডিজিপিতে শিল্পখাতের অবদান বাড়াতে হবে। উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং মান অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটিয়ে শিল্পায়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ অর্জন সম্ভব। এক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মো. আবদুল হালিম আরও বলেন, ‘শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটিয়ে উন্নয়ন অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিতে হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত হবে এবং রপ্তানি বাড়বে। বাণিজ্য ও রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নতুন কর্মস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে।’ তিনি আন্তর্জাতিক মান বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার লব্ধ জ্ঞান নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের পাশাপাশি অন্যদের সাথে বিনিময়ের পরামর্শ দেন।

উল্লেখ্য পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সে ২০টি দেশীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের টেস্টিং ও ক্যালিব্রেশন ল্যাবরেটরি, মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি, সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও পরিদর্শন সংস্থায় কর্মরত ৩০ জন অ্যাসেসর অংশ নেন।