প্রতীকি ছবি
জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হেমু পাখিটিকি গ্রামের আব্দুস সালাদ এর মেয়ে সাবিলা বেগম (২৫) তার নিজ ঘরের তীরের সাথে গলায় উড়না দিয়ে আত্মহত্যা করে। এলাকাবাসী জানান- গোয়াইনগাট উপজেলার বিছনাকান্দি গ্রামের মৃত কবির মিয়ার সাথে সাবিলা বেগম এর বিয়ে হয়। প্রায় ৩ মাস আগে তার স্বামী মারা যায়। সাবিলা বেগম কোন সন্তান না থাকায় তার বড়ভাই আল আমিন তাকে বাবার বাড়ি হেমু পাখিটিকি গ্রামে নিয়ে আসে। ঈদের পর দাওয়াত খেতে ভাবি চলেগেছে তার পিত্রালয়ে। গতকাল ০৯ জুন (রবিবার) ভাই আল আমিন প্রতিদিনের মতো চলে গেছে দিনমজুরের কাজে।
এ মতাবস্থায় সাবিলা বেগম একা ঘরে তীরের সাথে গলায় ফাঁস দেয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় ভাই আল আমিন এর চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে দেখেন সাবিলা বেগম ঘরের তীরের সাথে উড়না দিয়ে আত্মহত্যা করে। তাৎক্ষনিক বিষয়টি জৈন্তাপুর মডেল থানায় অবহিত করা হয়। খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি খান মোঃ মাইনুল জাকিরের নির্দেশে এস.আই মাহবুবল আলম সঙ্গীয় ফৌস নিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রির্পোট তৈরী করে অধিকত্বর তদন্তের জন্য সাবিলা বেগমের মৃতদেহটি সিলেট এম.এ.জি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
আল আমিন বলেন, সকালে আমি ও আমার বোন একসাথে ভাত খেয়েছি।তার পর আমি কাজে চলেযাই ।কাজ থেকে এসে দেখি ঘরের দরজা বন্ধ দরজা ভেঙে ঘরে ডুকে দেখি বোন ঘরের তীরের সাথে ফাঁস দিয়েছে।তারপর আমি চিৎকার করলে এলাকাবাসি ছুটে আসে। এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোঃ মাইনুল জাকির বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘাটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল তৈরী করে অধিকত্বর তদন্তের জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
আজকের পত্রিকা/নাজমুল ইসলাম/জৈন্তাপুর/রাফাত