অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম প্রেস ব্রিফিং করেন।
হবিগঞ্জে ভাঙ্গারী দোকান থেকে উদ্ধার হওয়া ৫ সহশ্রাধিক নতুন বই বিক্রি করা হয়েছিলো ৮ টাকা কেজি দরে। জেলার বানিয়াচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের নৈশ প্রহরী ঠোট কাটা নুরুজ্জামান বইগুলো বিক্রি করেন।
রবিবার ১০ ফ্রেব্রয়ারি দুপুর ১টার দিকে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে এই তথ্য জানায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা। ১০ ফ্রেব্রয়ারি রবিবার রাত ৯টায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।
রবিউল ইসলাম আরো জানান, বানিয়াচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের নৈশ প্রহরী ঠোট কাটা নুরুজ্জামানের নিকট থেকে ৮ টাকা কেজি দরে ক্রয় করে লাখাই উপজেলার পশ্চিম বুল্লা গ্রামের সফর উদ্দিন ওরফে মনা মিয়া। পরবর্তীতে সে ১১ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে বানিয়াচং উপজেলার সাঘরদিঘীর পাড়ের মৃত দুদু মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়ার নিকট।
এই বই কালোবাজারীর ঘটনায় সর্বমোট গ্রেফতার হয়েছে ৪ আসামীকে। এছাড়া নৈশ প্রহরী নুরুজ্জামান পলাতক রয়েছে বলেও জানান তিনি।
১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ শহরের পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির ৫ হাজার ৫৯০টি সরকারি নতুন বই জব্দ করে। এ সময় লাখাই উপজেলার পশ্চিম বুল্লা গ্রামের আমিরুল মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে হাশিম মিয়া (৩৫)কে গ্রেফতার করা হয়।
পরদিন গ্রেফতারকৃত দুইজনসহ ৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন কোর্ট স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ  গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী। রাসেল ও হাশিমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ২৭ জানুয়ারি দুলাল এবং ২৮ জানুয়ারি মনা মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
ফয়সাল ইসলাম/হবিগঞ্জ