স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মধ্যেই এমন লার্ভা। ছবি: সংগৃহীত

এই মৌসুমে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে যাদের দিকে তাকিয়ে সবাই, তারাই পরিচয় দিচ্ছে অসেচতনতার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ভবনের চারপাশে চোখে পড়লো এডিসের বংশ বিস্তারের সহায়ক পরিবেশ। এমনকি প্রধান ফটকের সাথেই লার্ভার আধার। যদিও ভুল শুধরে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেন কর্তৃপক্ষ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পার্কিংয়ের এক পাশে বেশ কয়েকটি পরিত্যক্ত গাড়ি। বিভিন্ন জায়গায় স্তূপ করে রাখা আবর্জনা। মশার ঘর বাঁধার জন্য একবারে উপযুক্ত পরিবেশ!

এক কর্মকর্তারা জানান, পুরাতন গাড়ি রাখার কারণে মশা বেশি হয়। এখানে পানি জমে থাকে।

আশপাশেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এমন অনেক জিনিস যা এই মৌসুমে এডিসের বংশবৃদ্ধিতে সহায়ক। পরিত্যক্ত ক্যান, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতল যেন রেখে দেওয়া হয়েছে এডিসের জন্য।

সাধারণ মানুষ জানান, মশার জন্য প্রতিদিন আতঙ্কে থাকতে হয়। এইগুলো আমাদের দিনের বেলায়ও কামড়ায়। এতে পা-হাত ফুলে যায়।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অধিদপ্তরের ভেতরে যেতে চাইলে সামনে এলো আরো ভয়াবহ বিষয়। ঠিক প্রধান ফটকের সামনেই একটি ফেলে দেয়া কমডে জমে আছে স্বচ্ছ পানি, আর কিলবিল করছে লার্ভা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এটাকে বলছে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল। অধিদপ্তরের ডেঙ্গু প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আখতারুজ্জামান বলেন, আমাদের অধিদপ্তর বা ডিপার্টমেন্টের আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমাদের। যেহেতু আমরা হাত দিয়েছি। সবকিছুই দ্রুত পরিষ্কার করা হবে।

ডেঙ্গুর প্রকোপ যখন ক্রমেই তীব্র হচ্ছে, তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই স্বাস্থ্য বিষয়ক অধিদপ্তরের এমন অবহেলা চিন্তার কারণ বৈকি।

আজকের পত্রিকা/এমইউ