অনেকেই নানা ফল, দুধ দিয়ে বানানো স্মুদি ও শেক খেয়ে থাকেন যা শরীরের ক্ষতি করে। ছবি: সংগৃহীত

অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে অনেকরই এখন অসুখে ভুগতে হয়। সচেতন হয়েও যেসব খাবার খাওয়া হয় সেগুলোর মধ্যেও রয়েছে ভেজাল, যা  স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে। দৈনিক অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ফলে স্থূলতা, ডায়াবিটিস, ক্যানসার ইত্যাদি অসুখ বিসুখ বেড়েই চলছে। অনেকে সুস্থ জীবন যাপনের জন্য যেসব ডায়েট মেনে চলে সেগুলোর মধ্যেও রয়েছে ক্ষতির সম্ভাবনা। তাই খাদ্য বিষয়ে আরেকটু সতর্ক হওয়া জরুরী। চলুন জেনে নিই কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো খেয়ে উপকৃত হওয়ার বদলে উল্টো প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

ফ্রোজেন খাবার

মাছ মাংস মূলত আমাদের দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। কিন্তু আপনি যদি ভেবে থাকেন প্যাকেটজাত মাছ মাংস খেয়ে আপনার শরীর ঠিকঠাক প্রোটিন পাচ্ছে, তাহলে ভুল করছেন। প্রিজারভেটিভ মিশ্রিত এসব প্যাকেটজাত খাদ্যে রয়েছে ক্ষতিকর উপাদান যা অসুখ বিসুখ ডেকে আনতে কার্যকরী।

স্মুদি এবং শেক

শরীর ফিট রাখার জন্যে অনেকেই নানা ফল, দুধ দিয়ে বানানো স্মুদি ও শেক খেয়ে থাকেন। কেউ কেউ সাপ্লিমেন্টের কবলে পড়ে অনেক ধরণের হেলথ ড্রিঙ্ক ও প্রোটিন শেক খেয়ে অভ্যস্ত। এসব খাবার লো ফ্যাট হলেও এগুলোতে বিদ্যমান অতিরিক্ত চিনি (অ্যাডেড সুগার) মেশানো থাকে, যা ডায়াবিটিস ডেকে আনার জন্য যথেষ্ট।   

ড্রাই ফ্রুটস

প্যাকেটজাত করা ড্রাই ফ্রুটসে নুন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি এগুলো উচ্চ মাত্রার ক্যালোরি সমৃদ্ধ হওয়ায় ওজন কমানোর পরিবর্তে ওজন বৃদ্ধি করে এবং ডায়াবিটিস রোগ ডেকে আনে। তাছাড়া ড্রাই ফ্রুটসকে টাটকা ও সুস্বাদু  রাখতে তা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের মাধ্যমে মিষ্টি করা হয়।

কৃত্তিম চিনি

কৃত্তিম চিনি স্বাভাবিক চিনির থেকে আরও বেশি ক্ষতিকর। এর মূল উপাদান অ্যাসপার্টেম ওজন বৃদ্ধি করে। আধুনিক গবেষণা বলছে, চিনি বিষয়টি থেকে দূরে থেকে রান্নায় মধু, গুড়, নারকেলের চিনি বা গুড়ের বাতাসা যোগ করা অধিক স্বাস্থ্যসম্মত।

সাপ্লিমেন্ট ও প্রোটিন বার

অনেকে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়াই নিজের পছন্দ মতো বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট বা প্রোটিন বার কেনার আগে সাবধান হোন। সব সাপ্লিমেন্ট বা প্রোটিন বার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এসব প্রোটিন বারে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহৃত হয় যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে গিয়ে ক্ষতি করে ফেলে।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/