প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২৫ মার্চ সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বাধীনতা পদক তুলে দিয়েছেন। সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত পদক প্রদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা পেলেন ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান।

পুরস্কার প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে বর্তমান সরকার।’ তিনি এ সময় স্বাধীনতার স্বপক্ষে বর্তমান সরকারের কাজ ও সাফল্যের বর্ণনা করে বলেন, ‘এক দশকের প্রচেষ্টার ফল আজকের বাংলাদেশ।’

১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ উপলক্ষে এ পুরস্কার দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। স্বাধীনতা পদকের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, তিন লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম পদক প্রদান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। ১০ মার্চ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।

স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯-এ ভূষিত ব্যক্তিদের মধ্যে এ কে এম মোজাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. কাজী মিসবাহুন নাহার, চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম, সমাজসেবায় ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ, সংস্কৃতিতে মুর্তজা বশীর, সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. হাসিনা খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পদক গ্রহণ করেন।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জ্বল হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), শহীদ এ টি এম জাফর আলম (মরণোত্তর), আব্দুল খালেক (মরণোত্তর), অধ্যাপক মোহাম্মাদ খালেদ (মরণোত্তর) ও শওকত আলী খানের (মরণোত্তর) পক্ষে পরিবারের সদস্যরা পদক গ্রহণ করেন। এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচারের (বিআইএনএ) পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক পদক গ্রহণ করেন।

 

আজকের পত্রিকা/সিফাত/জেবি