শেরপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার যোগানিয়া ইউনিয়নের যোগানিয়া কাচারি মসজিদ সংলগ্ন একটি বাড়িতে থাকেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার গৃহপরিচারিকা টুনি।

শুক্রবার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গৃহপরিচারিকা টুনিরর গ্রামের বাড়ি বেড়িয়েছেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা।

এদিকে মাশরাফির আগমনে এলাকায় হুলস্থুল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিষয়টি প্রথমদিকে গোপন থাকলেও নিভৃত পল্লীতে দুটি মাইক্রোবাসে ঢাকা থেকে মাশরাফির আসার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। ফলে লোকজনের ভিড় সামলাতে মাত্র আড়াই ঘণ্টা অবস্থানের পর শেরপুর ত্যাগ করতে হয় তাকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এবারের কোরবানির ঈদ মাশরাফির বাসাতে কাটলেও পরে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসার ইচ্ছে ছিল টুনির। সেই ইচ্ছা পূরণে কেবল টুনিকে পাঠানো নয়, নিজের গোটা পরিবারের লোকজন নিয়েই টুনিদের গ্রামের বাড়িতে হঠাৎ করেই চলে আসেন মাশরাফি।

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় একটি হাউজিং অ্যাপার্টমেন্টে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে চাকরির সময় মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে পরিচয় হয় টুনির বাবা আক্কাছ আলীর। ওই অ্যাপার্টমেন্টের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মাশরাফি ও তার পরিবার। ওই পরিচয় সূত্রে প্রায় ৮ বছর আগে হতদরিদ্র আক্কাছ আলীর মেয়ে টুনিকে তার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ দেন তিনি। বয়স আর শারীরিক অসুস্থতার কারণে আক্কাছ আলী সেখান থেকে বিদায় নিলেও মাশরাফির বাসাতেই রয়ে গেছেন টুনি। দীর্ঘ ৮ বছরে মাশরাফির স্ত্রী ও দুই সন্তানের সঙ্গে টুনির গড়ে উঠেছে নিবিড় সম্পর্ক। তারা এখন টুনিকে তাদেরই একজন মনে করেন।