প্রতীকী ছবি

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে সেফটি ট্যাংকের ভিতর থেকে ভাড়ায় চালিত এক মোটরসাইকেল চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের মধ্যম একসরা দাখিল মাদ্রাসার সেফটি ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৪জনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত মোটরসাইকেল চালকের জাহাঙ্গীর হোসেন (২৪) আনুলিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের খোকন গাজীর ছেলে।

গ্রেফতাররা হলেন, আশাশুনি উপজেলার মধ্যম একসরা গ্রামের বশির সানার ছেলে আব্দুল আজিজ (৪০), একই গ্রামের সালামুদ্দিন (খোকন) কারিগরের ছেলে আল আমিন কারিগর (২৫), আব্দুল্লাহ কারিগরের ছেলে রবিউল ইসলাম (৩০)ও শরিফুল ইসলাম (২৫)।

আনুলিয়া ইউনিয়নের দফাদার আব্দুস সাত্তার জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাত ১০ টার দিকে রবিউল, আল আমিন ও আব্দুল আজিজ একসরা লঞ্চঘাটে যাওয়ার কথা বলে জাহাঙ্গীরের মোটরসাইকেল ভাড়া করে। পথিমধ্যে মধ্যম একসরা দাখিল মাদরাসার কাছে পৌঁছালে চালক জাহাঙ্গীরের গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর লাশ মাদরাসার সেফটি ট্যাংকের ভিতর ফেলে দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে নিহতের স্ত্রী সাথী খাতুন তাকে জানায় যে, তার স্বামী জাহঙ্গীর ভাড়া নিয়ে যাওয়ার পর দুই দিন হয়ে গেছে এখনও ফিরে আসেনি। এ সময় মোটরসাইকেল ভাড়া নেয়া রবিউল ইসলামকে ডেকে এনে ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটনকে খবর দেওয়া হয়। পরে চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায় জাহাঙ্গীরকে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তির পর রবিউল ইসলাম ও আল আমিনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়া হয়। রাত ১২টার দিকে পুলিশ এসে মধ্যম একসরা দাখিল মাদ্রাসার সেফটি ট্যাংকির ভিতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এসব ঘটনা নিশ্চিত করে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আজকের পত্রিকা/সাতক্ষীরা/এমএআরএস