ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাবে সেন্টমার্টিনে আটকা পড়া দেড় হাজার পর্যটক আজ সোমবার ফেরত আসবেন। সকাল থেকে টেকনাফ দমদিয়া ঘাট থেকে দ্বীপে আটকা পর্যটকদের ফেরত আনতে এফবি ফরহান, দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ ও কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন তিনটি জাহাজ কাজ করছে। তবে এসব জাহাজে কোনও পর্যটক দ্বীপে যাননি। দ্বীপের স্থানীয় কিছু বাসিন্দা গেছেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের সমন্বয় কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকদের আনতে সকালে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে তিনটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে।’

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার সকালে তিনটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে। বিকালে পর্যটকদের নিয়ে জাহাজগুলো টেকনাফ ঘাটে পৌঁছবে।’
এ প্রসঙ্গে পর্যটকবাহী জাহাজ বে ক্রুজের টেকনাফের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম বলেন, তার জাহাজে করে দ্বীপে ভ্রমণে গিয়ে আটকা পড়া পর্যটকদের আনতে টেকনাফ থেকে জাহাজ পাঠানো হয়েছে। পর্যটকরা বিকালে টেকনাফ পৌঁছবে।

সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নূর আহমদ বলেন, দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকদের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখা হয়েছিল। তাদের থাকা খাওয়ার ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়েছিল। দুঃখের বিষয় দ্বীপের ৫০০ বাসিন্দা টেকনাফে আটকা পড়েছিল। কেউ তাদের খোঁজও নেয়নি।

টেকনাফ কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এম সোহেল রানা বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে আজ সকালে টেকনাফ দমদমিয়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ৩টি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার জন্য টেকনাফ ছাড়ে। জাহাজ তিনটি বিকালে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে।