ত্বকের সৌন্দর্যে অ্যাভোকাডো খান। ছবি: সংগৃহীত

অনেকেই চর্বি জাতীয় খাবার একদম খেতে চান না। কিন্তু চর্বি জাতীয় খাবারেরও নানা পুষ্টিগুণ রয়েছে। আপনার হার্টের জন্য চর্বি জাতীয় খাবার স্বাস্থ্যকর না হলেও ত্বকের জন্য বেশ ভালো। চর্বিতে বিদ্যমান ফ্যাটি এসিড, অলিক এসিড ত্বককে ময়শ্চাইরাইজ করে তুলে এবং ত্বকের কোষগুলোকেও মসৃণ করে। চলুন জেনে নিই ৫টি চর্বি জাতীয় খাবার সম্পর্কে, যা আপনার ত্বককে সুন্দর করে তুলবে-

বড় মাছ

মাছে বিদ্যমান ওমেগা ৩ ত্বকে ব্রণ হওয়া কমায়। ছবি: সংগৃহীত

বড় মাছে তেল থাকে বলে, অনেকেই খাদ্যতালিকায় এটি এড়িয়ে যান। তবে ত্বককে প্রাকৃতিক উপায়ে উজ্জ্বল রাখতে চাইলে বড় মাছ খাওয়া উচিত। কারণ বড় মাছে ওমেগা ৩ ও ফ্যাটি এসিড উচ্চ মাত্রায় বিদ্যমান। এই উপাদানগুলি ত্বকে বয়সের ছাপ কমিয়ে আনে এবং ত্বককে মসৃণ করে তোলে। এছাড়া ওমেগা ৩ ত্বকে ব্রণ হওয়া কমায়।

অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডো ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে। ছবি: সংগৃহীত

আপনি যদি অ্যাভোকাডো খেতে পছন করেন, তাহলে আপনার ত্বক অন্যদের তুলনায় স্বাস্থ্যকর ও প্রাণবন্ত মনে হবে। আর যদি ইতিপূর্বে না খেয়ে থাকেন, তাহলে আপনার দৈনিক ডায়েটে অ্যাভোকাডো যুক্ত করুন। অ্যাভোকাডোতে বিদ্যমান ভিটামিন ই ত্বকে কোলাজেন সৃষ্টি করতে সহায়তা করে। এছাড়া অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ দূর করে। অ্যাভোকাডো ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে।

আখরোট

সূর্যরষ্মির কারণে ত্বকের ক্ষতি হওয়া রোধ করে। ছবি: সংগৃহীত

আখরোটে ওমেগা ৩ এবং মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা ত্বকের ব্রণ হ্রাস করে। এই বাদামগুলি অ্যান্টি অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ হওয়ায় শরীরের কার্বস ভাঙতে সহায়তা করে এবং সূর্যরশ্মির কারণে ত্বকের ক্ষতি হওয়া রোধ করে।

অলিভ ওয়েল

অলিভে বিদ্যমান ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘ই’ তেজস্ক্রিয় রষ্মির ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ছবি: সংগৃহীত

সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অলিভ ওয়েল খুব জনপ্রিয়। এটি ত্বকের কোষগুলোর মেরামত করে, ত্বকের ক্ষতি হওয়া রোধ করে এবং শুষ্ক ত্বক পেতে সহায়তা করে। কিন্তু আমাদের অনেকেই অলিভ ওয়েলের উৎস অর্থাৎ জলপাই খায় না। অলিভে বিদ্যমান ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘ই’ তেজস্ক্রিয় রশ্মির ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

নারিকেল তেল

নারিকেল তেল অতিরিক্ত সংবেদনশীল ত্বকের সুরক্ষায় বেশ কার্যকরী। ছবি: সংগৃহীত

পরিষ্কার ত্বক পেতে গতানুগতিক তেলের পরিবর্তে রান্নায় নারিকেল তেল ব্যবহার করুন। এতে অ্যান্টি মাইক্রোব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাংগাল উপাদান রয়েছে যা অতিরিক্ত সংবেদনশীল ত্বকের সুরক্ষায় বেশ কার্যকরী।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/সিফাত