শস্যের শিল্পীর সুখ আর রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সুখের ভিন্নতা আছে। তবে সুখী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবনতি হয়েছে জাতিসংঘ সূচকে। ছবি : সংগৃহীত

সুখকে নানাভাবে সংজ্ঞায়িত করা চলে। ব্যক্তি পর্যায়ে সুখ আর রাষ্ট্রীয়ভাবে সুখের মধ্যে রয়েছে তফাত। তবে বুধবার প্রকাশিত জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) ‘বিশ্ব সুখী প্রতিবেদন-২০১৯’ শিরোনামে দেখা গেছে বাংলাদেশের অবনতি।

প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, এবার বাংলাদেশের পরেই আছে ইরাক। আগের দুই বছরের তালিকায় যথাক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১০ ও ১১৫তম। অর্থাৎ বাংলাদেশ এই সুখী দেশের তালিকায় নিচের দিকে যাচ্ছে।

দুর্নীতির অনুপস্থিতি, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, সামাজিক সমর্থন, সামাজিক স্বাধীনতা, ভদ্রতা ও মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন বিবেচনায় নিয়ে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে সুখী দেশ পাকিস্তানের অবস্থান ৬৭তম। আর অসুখী দেশ আফগানিস্তানের অবস্থান ১৫৪তম।

পাকিস্তানের পরেই আছে ভূটান ৯৫তম। ১০০তম অবস্থানে নেপাল। শ্রীলঙ্কা ১৩০ ও ভারত ১৪০তম অবস্থানে।

তালিকায় যুক্তরাজ্য ১৫, যুক্তরাষ্ট্র ১৯, জার্মানি ১৭তম অবস্থানে রয়েছে।

এশিয়ায় শীর্ষে থাকা ইসরায়েলের অবস্থান ১৩তম। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর মধ্যে আরব আমিরাত ২১, সৌদি আরব ২৮, কাতার ২৯, বাহরাইন ৩৭ ও ইরান ১১৭তম।

অপরদিকে জাপান ৫৮, রাশিয়া ৬৮ ও চীন ৯৩তম। আর রোহিঙ্গা সংকটে জর্জরিত মিয়ানমারের অবস্থান ১৩১তম।

শীর্ষ ১০ সুখী দেশ

এবার শীর্ষ ১০ সুখী দেশ হলো- যথাক্রমে ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, নিউজিল্যান্ড, কানাডা ও অস্ট্রিয়া। অর্থাৎ তালিকার প্রথম চারটি দেশই স্ক্যান্ডিনেভীয়।

শীর্ষ অসুখী ১০ দেশ

যথাক্রমে দক্ষিণ সুদান, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, আফগানিস্তান, তানজানিয়া, রুয়ান্ডা, ইয়েমেন, মালাবি, সিরিয়া, বতসোয়ানা ও হাইতি। অর্থাৎ নিচের দিকে আফ্রিকার দেশগুলোই বেশি।

আজকের পত্রিকা/এমএইচএস/জেবি