সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে ৪ দফা দাবি নিয়ে আমরণ অনশনে বসেছে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ন-আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম।

শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ৪ দফা দাবিতে অনশন শুরু করেন তিনি।

দাবিগুলো হলো- ১) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সকল হত্যার আন্তর্জাতিক আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ২২) ভারতকে সীমান্ত হত্যার জন্য ক্ষমা চেয়ে আর হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। ৩) সীমান্তে হত্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারকে তদন্ত সাপেক্ষে দুই দেশের যৌথভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ৪) বাংলাদেশের সংসদে সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদ করে নিন্দা জানাতে হবে।

তিনি বলেন, ‘প্রতিনিয়ত সীমান্তে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করছে ‘বন্ধু’ রাষ্ট্র ভারত। আমরা প্রতিদিন ধর্ষন করে হত্যা, নির্যাতনে হত্যা, ক্রসফায়ারে হত্যা, বোমা মেরে হত্যা শুনতে শুনতে একেবারে অনুভূতিহীন হয়ে গেছি। এই অনুভূতিটা আবার জেগে ওঠে যখন নিজের, বাবা, ভাই কিংবা বোন হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘একবার চিন্তা করেছেন এই আমরাই ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, ৪ জনের হত্যার প্রতিবাদে পুরো দেশ বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে মায়ের ভাষার জন্য লড়াই করেছি। আর সেই আমরাই ২০২০ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে এসেও কি রকম চেতনাহীন হয়ে গেছি। বলি কি ভাই, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শুধু ১৬ই ডিসেম্বর আর ২৬ এর জন্য শুধু রেখে না দিয়ে হৃদয়ে অনুভব করি। এভাবে চলতে দেয়া যায়না।

এভাবে চলতে পারে না। পাশের দেশ নেপালও দেখিয়ে দিয়েছে কিভাবে ১ জন মানুষকেও মারলে তার প্রতিবাদ করতে হয়। এবার জেগে ওঠুন, প্রতিবাদ করুন। কত সময় নানা কাজে ব্যয় করেন। দশটা মিনিট দেশের জন্য প্রতিবাদ করুন। রাস্তায় নেমে আসুন।

আর শিক্ষার্থী ভাইদের বলি কত সময় আড্ডায়, ফোনে গেম খেলে নষ্ট করেন। এবার একটু বাস্তব জীবনে খেলুন না। ভাইয়ের জন্য দাড়াঁন, দেশের জন্য দাড়াঁন। আর কোন হত্যা নয়, এবার হবে প্রতিবাদ।’

-সোহেল