সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার। ছবি: সংগৃহীত।

দুইদিনের ব্যবধানে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত দুই আসামী ও এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার দুপুরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাায় তারা মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু সায়েম।

 

কারা সূত্রমতে, বৃহস্পতিবার বুকের ব্যাথা অনুভব করায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সুনামগঞ্জের জগন্œাথপুর উপজেলার লোহারগাও গ্রামের আফিজ আলী ইউনুছকে (৪৯)। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে তিনি মারা যান। তিনি জগন্নাথপুরের একটি হত্যা মামলায় ফাসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী ছিলেন। ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই থেকে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

 

অপর দিকে দক্ষিন সুরমার একটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ফাসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী ছিলেন ৬৩ বছরের মছব্বির আলী। বুকে ব্যথা অনুভব করায় মঙ্গলবার ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মছব্বির আলীকে। বৃহস্পতিবার রাত ২ টা ৫০ মিনিটে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাায় তিনি মারা যান। মছব্বির আলী দক্ষিন সুরমা উপজেলার শস্যউরা গ্রামের জুবেদ আলীর ছেলে।

 

এছাড়া চেক ডিজওনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী ছিলেন সিলেট নগরীর শাহজালাল উপশহর এলাকার ৪৮ নম্বর বাসার বাসিন্দা হাজী মোহাম্মদ মনোয়ারুল হক। বৃহস্পতিবার রাতে বুকে ব্যাথা অনুভব হলে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় কারাগার কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসাধীন অবস্থাায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে তিনি হাসপাতালে মারা যান। তিনি ওই এলাকার মন্তাজ আলীর ছেলে। এক কোটি ৫৭ লাখ টাকার চেক ডিজওনার মামলায় তার এক বছরের সাজা ছিল বলে কারাগার সূত্র জানিয়েছে।

এ ব্যপারে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু সায়েম জানান, তারা তিন জনই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাদেরকে জানিয়েছেন। শুক্রবার প্রত্যেকের লাশ পরিবারের কাছে সমঝে দেওয়া হয়েছে।