পরিবারের সাথে দারোগা সুদিপ বড়ুয়া

পুলিশ বিভাগে চাকুরি করে কেউ দেয় মানুষের সার্ভিস সেবার মনমানসিকতা নিয়ে আর কেউ কেউ বানিজ্যিক ভাবে পরিচালিত করে। এসব কারনে পুলিশ বিভাগে অনেক জুনিয়রা সিনিয়রদের মন খুশি করতে পারে না অনেক সময় এটা নতুন কিছু নয়। একই থানায় চাকুরি করে কোন অফিসার কাজ সেরে হাত রাখতে পারছেন না আবার কেউ বেকার বসে বেতনের টাকা থেকে চলছেন। দীর্ঘদিনে দিনের অনুসন্ধানে এমন চিত্র দেখা গেছে সিলেটের থানায়।

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় পুলিশ কোয়ার্টারে আত্মহত্যা করেছেন এসআই সুদীপ বড়ুয়া (৪৫) নামের এক সাব-ইন্সপেক্টর আজ রবিবার বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশের এসপি মনিরুজ্জামান পিপিএম সিনিয়র কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ঘটনার পর থেকেই অনেকেই বলছেন থানার ওসি আব্দুল জলিল ও সেকেন্ড অফিসার এস আই জুনেদ এর জ্বালা যন্ত্রণা, মানসিক চাপ সইতে না পেরে সুদীপ বড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। তবে তার মেয়ে শতাব্দি বড়ুয়া এ প্রতিবেদকে জানান সুদীপ বড়ুয়ার মৃত্যুর বিষয়ে কী অভিযোগ আছে না আছে তা কাল সিলেটে এসে মিডিয়ায় মুখ খুলবেন। তাদের মুঠোনের নম্বর সেইভ রাখতে অনুরোধ জানান মিডিয়া কর্মীদের।

থানা পুলিশ সূত্রে এস আই সুদীপ বড়ুয়া আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এদিকে অভিযোগের তীর থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই জুনেদ এর দিকে থাকায় তাকে এস আই সুদীপ বড়ুয়ার মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান এতে আমার কোন হাত নেই আমার সাথে সম্পর্ক ভাল ছিল । তার স্ত্রীর সাথে কথা বলে দেখতে পারেন।

জানা গেছে, সুদীপ বড়ুয়ার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার সোনাইচড়িতে। প্রায় ২৮ বছর ধরে পুলিশে চাকরি করছেন। চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি গোয়াইনঘাট থানায় যোগদান করেন।

সুদীপ বড়ুয়ার এক ছেলে নৌবাহিনীর স্কুলে এবং মেয়ে মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছে।

আজকের পত্রিকা/শায়েল