সিলেটে পতাকা বিক্রি বেড়েছে। ছবি : সংগৃহীত

২৬ মার্চ উপলক্ষে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই রাস্তায় নেমে পড়েছেন সিলেটের পতাকা ব্যবসায়ীরা। তবে বিক্রি জমতে শুরু করেছে গত ২/৩ দিন থেকে। ‘ব্যবসা খুব একটা বালা নায়। তবে বাড়ছে। স্বাধীনতা দিবস আওয়ার লগে লগে আরো বাড়বো।’ বললেন বন্দরবাজার পয়েন্টের পতাকা ব্যবসায়ী রমজান আলী।

সাধাণত বন্দরবাজার পয়েন্ট, জিন্দবাজার, চৌহাট্টা ও রিকাবিবাজার এলাকায় পতাকাওয়ালেদের দেখা গেলেও, স্বাধীনতা দিবসে পাড়া-মহল্লায়ও তাদের কেউ কেউ ঢুকে পড়েন। ছোট্ট সোনামণি থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা সচেতন সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মীরা এ সময়টাতে লাল-সবুজ পতাকা যেমন পাড়া-মহল্লা টানিয়ে রাখেন, তেমনই জাতীয় পতাকা অঙ্কিত রিষ্টব্যান্ড, হেডব্যান্ড ইত্যাদিতে নিজেকে সজ্জিত করেন।

৩০ লাখ জীবন আর দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত লাল-সবুজ পতাকার মর্যাদা রাখতে পারেন না বিক্রেতারা। তবে ক্রেতার মনে পতাকার মূল্যায়নে পরিষ্কার দেশপ্রেমের প্রতিচ্ছবি বিমূর্ত হয়ে উঠে।

বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম জানান, ক্রেতাদের মধ্যে বাচ্চা আর কিশোরদের পতাকা কেনায় ঝোঁক সবচেয়ে বেশী। এমন তথ্য যথেষ্ট আশা জাগানিয়া হলেও এই আবেগ ও উচ্ছাস ধরে রাখাটা কিন্তু কঠিন। সময়ের আবর্তে অনেক দেশপ্রেমীক শিশুই শেষ পর্যন্ত ছোটবেলার সেই দেশপ্রেম সারাজীবন বুকে লালন করতে পারে না।

নগরীতে হাঁটতে বেরিয়ে যখন লোকজনের মাথায় আর হাতে দেশের পতাকা দেখা যায়, তখন হোক তা কেবলই ফ্যাশন করার উদ্দেশ্যে, তবু হৃদয় জুড়ে বয়ে যায় আনন্দের রেশ, যেন এইতো আমার দেশ।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস/সিফাত