নামাজে ইমামতি করেন সিলেটের বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা কামাল উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের প্রাচীনতম ঈদগাহ হিসেবে পরিচিত শাহী ঈদগাহে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন লাখো মানুষ।

সিলেটে সকাল থেকেই বৃষ্টি থাকায় নামাজে অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের অনেকেই ছাতা হাতে নিয়ে শাহী ঈদগাহে প্রবেশ করতে হয়। ৫ জুন বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার ঈদ জামাতে নামাজ আদায় করেন জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিসহ অসংখ্য মানুষ।

নামাজে ইমামতি করেন সিলেটের বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা কামাল উদ্দিন। এর আগে বয়ান করেন হযরত মাওলানা শায়খে বরুণী সৈয়দুর রহমান হাবিবী।

টিলায় সবুজে আচ্ছাদিত পরিবেশে শাহী ঈদগাহে ঈদের নামাজে জমায়েত মানুষের সারি পার্শ্ববর্তী কয়েকটি রাস্তা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন শাহী ঈদগাহে এবারে ঈদের জামাতে সিলেটের বিভিন্নস্থান থেকে জড়ো হন অসংখ্য মানুষ।

সকাল সাড়ে ৮টায় টিলাগড় শাহ মাদানী ঈদগাহ ময়দান, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের জামে মসজিদ, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠ এবং সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদ, হযরত শাহপরাণ (রহ.) দরগাহ মসজিদ, বরইকান্দি শাহী ঈদগাহ ময়দান, সিলেট সদর উপজেলার সাহেববাজার শাহী ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে সিলেট নগরীর বন্দরবাজারস্থ কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এসব জামাত সকাল সাড়ে ৭টা, সাড়ে ৮টা ও সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়।

কোর্টপয়েন্টস্থ কালেক্টরেট জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, কাজিরবাজার মাদরাসায় সকাল সাড়ে ৭টায়, শেখঘাটস্থ শেখ ছানা উল্লাহ জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, কালিঘাটস্থ নবাবী মসজিদে সকাল ৮টায়, মাছিমপুরস্থ শেখ মৌলভী ওয়াকফ এস্টেট মসজিদে সকাল ৮টায়, খাসদবির মাদরাসা মাঠে প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া পাঠানটুলা নবাবী শাহী ঈদগাহে সকাল ৮টায়, পশ্চিম পীরমহল্লায় সকাল ৮টায়, ভার্থখলা জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, দক্ষিণ সুরমার সিলাম শাহী ঈদগাহে সকাল ৭টায় ও সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

শায়েল/আজকের পত্রিকা