তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি : সংগৃহীত

সরকারের ১০০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) যে কথা বলেছে, তা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ২৪ এপ্রিল বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

১০ বছর ধরে দোষ খুঁজে বেড়ানো তাদের যে স্বাভাবিক প্রবৃত্তি, এটিও তারই অংশ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ সময়ে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা সব মিলিয়ে দুই থেকে আড়াই গুণ বেড়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, গত ১০ বছর ধরে সিপিডি শুধু দোষই খুঁজে বেড়িয়েছে। তারা বাজেটের আগে একবার দোষ খোঁজে, বাজেটের পরে একবার খোঁজে, বছরান্তে একবার খোঁজে, সব সময় দোষ খুঁজে বেড়ায়। তাহলে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগে সিপিডি’র কাজ কি শুধু দোষ খুঁজে বেড়ানো? এই যে অগ্রগতি গত ১০ বছরে হয়েছে, দুঃখজনক হলেও সত্য এটি তারা দেখে না। এটি তাদের দৈন্যতা এবং ব্যর্থতা।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে গত ১০ বছরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ স্বল্প আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় তিনগুণের চেয়েও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে ৬০০ ডলার ছিল, যা এখন ২০০০ হাজার ডলারে পৌঁছেছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজ  সমগ্র পৃথিবী দেখছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এর প্রশংসা করছে। গত ১০০ দিনে সরকার অনেকগুলো কাজ করেছে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন। অথচ সিডিপি এগুলো দেখতে পাচ্ছে না। এটি তাদের ব্যর্থতা। তবে আমরা আশা করবো, সিপিডি তাদের ব্যর্থতা কাটিয়ে সরকার যে অগ্রগতি ও উন্নয়ন করছে— সেটির দিকে দৃষ্টি দেবে।’

বিএনপির সংসদে যাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি গত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেও সংসদে যাচ্ছে না। একটি দল হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য যে ধরনের উদ্যোগ ও আয়োজনের দরকার ছিল,বিএনপি  সেটি করেনি। তারা যদি সঠিকভাবে কাজ করতো, নমিনেশন বাণিজ্য যদি না হতো, তারা আরও বেশি আসন পেতে পারতো।’

তিনি বলেন, ‘তারা নির্বাচিত হওয়ার পর বলছে সংসদে যাবে না, শপথ নেবে না বলছে, এটি জনগণের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ ছাড়া আর কিছু না। এটি রাষ্ট্রের প্রতিও অবজ্ঞা প্রকাশ করা।’

আজকের পত্রিকা/আ.স্ব/