বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে দুই পজিশনের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে সবসময়ই ছিল নানা আলোচনা। ছবি:সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে দুই পজিশনের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে সবসময়ই ছিল নানা আলোচনা। তামিমের সঙ্গে ওপেনিং করবেন কে? অপরদিকে ওয়ান ডাউন। আজ একজন তো কাল আরেকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালানো হয়েছে। এক পর্যায়ে তিন নম্বরের দুশ্চিন্তা মেটাতে এগিয়ে এসেছেন সাকিব আল হাসান এবং নিজেকে সম্পূর্ণ প্রমাণও করেছেন তিনি সে তিন নম্বর পজিশনে। কিন্তু শ্রীলঙ্কা সফরে তার অনুপস্থিতি আবারও টিম ম্যানেজমেন্টের কপালে চিন্তার ছাপ ফেলেছে। গত দেড় বছরে তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করতে নেমে সাকিব আল হাসান খেলেছেন ২৩টি ম্যাচ। এই ২৩ ম্যাচে ৫৮.৮৫ গড়ে ১১৭৭ রান করে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে দারুণ শক্ত ভীত দিয়েছেন। কিন্তু তিনি না থাকায় সেখানে কে খেলবেন এই নিয়েই এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

প্রায় এক বছর পর জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন এনামুল হক বিজয়। ওপেনিংয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে কে নামবেন তার উপরেও নির্ভর করছে তিনের নামটি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবশ্য এনামুল হককে কখনোই তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করতে দেখা যায়নি। তাই বলা যাচ্ছে না এই অবস্থানে তার ব্যাট কতোটা কার্যকর। ৩৭ ওয়ানডের ২৫ ইনিংস শুরু করেছেন বিজয় ননস্ট্রাইক প্রান্ত থেকে। ৯ ইনিংস শুরু করেছেন স্ট্রাইক প্রান্তে থেকে। শ্রীলঙ্কা সফরে সুযোগ পাওয়া এনামুলকে এবারও হয়তো তামিমের সঙ্গে ওপেনিংয়েই দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তিনের ভাবনায় থাকবেন সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ মিঠুন। যদিও তারা দুজনই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। ৫২ ওয়ানডে খেলা সৌম্য ১২ ইনিংসে ব্যাট করেছেন তিন নম্ব্‌র পজিশনে নেমে। ওপেনিংয়ের চেয়ে তিন নম্বরে তার গড় তুলনামূলক ভালো। ওপেনিংয়ে যেখানে সৌম্য সরকারের গড় ৩৫.২৮ সেখানে তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিং গড় ৩৬.৯১। শুধু তাই নয় তিন নম্বর পজিশনে নেমে সেঞ্চুরি করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে সৌম্য সরকারের।

অপরদিকে ২১ ওয়ানডে খেলা মিঠুন বেশির ভাগ সময়ই খেলেছেন পাঁচ নম্বর পজিশনে।

আজকের পত্রিকা/এসএমএস