সব দাদা-দাদিই তাদের নাতি-নাতনিদের অনেক বেশি আদর করে থাকে। ছবি: সংগৃহীত

যারা তাদের দাদা-দাদির সাথে বড় হয়েছেন, তারা এক কথায় ভাগ্যবান। সব দাদা-দাদিই তাদের নাতি-নাতনিদের অনেক বেশি আদর করে থাকেন। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়া থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত সব বাবা-মাই তাদের সাহায্য নিয়ে থাকেন। দাদা-দাদি এমন অভিভাবক, যাদের আপনি চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারবেন। তাদের সঙ্গ আমাদের জন্য অনেক বড় একটি উপহার।

দাদা-দাদি তাদের পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে তাদের নাতি-নাতনিদের কাছে গল্প করে থাকে। ছবি: সংগৃহীত

দাদা-দাদিরা পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে তাদের নাতি-নাতনিদের কাছে গল্প করে থাকেন। এসব জানা থাকলে শিশুরা আরও বেশি স্থিতিশীল ও প্রাণোচ্ছল হয়। তারা অন্যদের থেকে বেশি স্মার্ট ও পরিপক্ক হয়ে থাকে। কারণ তারা তাদের পরিবারের ইতিহাস, সুবিধা-অসুবিধা ও উত্থান পতন সম্পর্কে অবগত হয়।

বাচ্চারা যখন দাদা-দাদির সাথে অনেক বেশি সময় কাটায় তখন তারা শারীরিক ও আচরনগতভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ছবি: সংগৃহীত

বাচ্চারা যখন দাদা-দাদির সাথে অনেক বেশি সময় কাটায় তখন তারা শারীরিক ও আচরনগতভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং তারা যেকোনো ধরণের আঘাত সহ্য করতে সক্ষম। ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণায় একই তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।

বাচ্চারা যদি দাদা-দাদির আদরে বড় হয়ে থাকে তাহলে তারা বয়স্কদের যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করে থাকে। ছবি: সংগৃহীত

বাচ্চাদের শেখানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সবারই বয়স হয় এবং এতে ভয়ের কিছু নেই। বাচ্চাদের এটা বুঝার ক্ষমতা না থাকলেও, দাদা-দাদির কাছে থেকে তারা এ বিষয়টি কিছুটা উপলব্ধি করতে পারবে। একটি গবেষণার মতে, বাচ্চারা যদি দাদা-দাদির আদরে বড় হয়ে থাকে, তাহলে তারা বয়স্কদের যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করে।

যেসব দাদা-দাদি তাদের নাতি-নাতনিদের সঙ্গে থাকে তাদের বয়স গড়ে পাঁচ বছর বেড়ে যায়। ছবি: সংগৃহীত

বাচ্চাদের জন্য দাদা-দাদির সঙ্গে থাকা যেমন ভালো, ঠিক তেমনি দাদা-দাদির জন্যও এটি ভালো। প্রকৃত অর্থে যেসব দাদা-দাদি তাদের নাতি-নাতনিদের সঙ্গে থাকেন, তাদের বয়স গড়ে পাঁচ বছর বেড়ে যায়, কারণ তারা এ সময় একাকিত্ব ও উদ্বেগ থেকে দূরে থাকে।

উঠতি বয়সের বাচ্চাদের জন্য পরিবর্তনশীল পরিবেশে কিছুটা স্থিতিশীল থাকা খুবই জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

উঠতি বয়সের বাচ্চাদের জন্য পরিবর্তনশীল পরিবেশে কিছুটা স্থিতিশীল থাকা খুবই জরুরি। কিন্তু যেসব বাচ্চাদের মা-বাবা কাজ করেন, তাদের জন্য বাচ্চাদের এসব সমস্যা সমাধান করা একটু কঠিন। তাদের দাদা-দাদি এই স্থান পূরণ করে দিতে পারবেন।

দাদা-দাদির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা শেয়ারের মাধ্যমে বাচ্চাদের নানা শিক্ষা দেওয়া সম্ভব। ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিকভাবে, বাবা-মায়ের কাজ তাদের বাচ্চাদের ভালো মানের নৈতিকতা, সহানুভূতি ও দয়া শেখানো। কিন্তু দাদা-দাদি এ বিষয়ে আরও বেশি সাহায্য করতে পারেন। তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা শেয়ারের মাধ্যমে বাচ্চাদের নানা শিক্ষা দেওয়া সম্ভব।

আজকের পত্রিকা/রিয়া/সিফাত