সংসদ অধিবেশনে বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিল-২০১৯ পাস করা হয়েছে। ইপিজেডে বিভিন্ন শিল্প কারখানার শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার কথা এই বিলে বলা হয়েছে।

২৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার একাদশতম জাতীয় সংসদ কার্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।

বিলে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক বজায় রাখতে শ্রমিক কল্যাণ সমিতি গঠনের বিধান করা হয়। বিলে শ্রমিক কল্যাণ সমিতির গঠনতন্ত্র, সমিতির নিবন্ধন, নির্বাচন, শ্রমিক কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, মালিক সমিতি, যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট, শিল্প বিরোধ মীমাংসা এবং সালিশ, ধর্মঘট অথবা লক-আউট, ইপিজেড শ্রম আদালত, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালস সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়।

এছাড়াও বিলের বিধান লংঘনজনিত অপরাধের বিচার এবং দন্ড প্রদানের বিধান করা হয়। বিলে এ ধরনের অপরাধে সর্বনি¤œ ৩ মাস ও পাঁচ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ এক বছর ও ৫ লাখ টাকা কারাদন্ড ও অর্থদন্ড অথবা উভয়দন্ডের বিধান করা হয়।

বিলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক শ্রমিক নিয়োগে বাধা-নিষেধ, শ্রমিকদের দায়িত্ব, মালিকের দায়-দায়িত্বসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধান করা হয়। এছাড়া বিলে বিদ্যমান বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম অধ্যাদেশ-২০১৯ রহিত করা হয়।

সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম, সংসদ সদস্য মো. মুজিবুল হক, সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ও রুস্তম আলী ফরাজী বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

আজকের পত্রিকা/আরবি/আ.স্ব/