কামরুল ইসলাম
বিনোদন প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে মন্ত্রী-উপমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ করেন তারা।

এবার সংসদের সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জানা গেছে, আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে তফসিল দিয়ে মার্চের মধ্যেই ভোটগ্রহণ করা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো বাছাই করে তাদের পছন্দের নারীদের মনোনয়ন দিতে পারবে। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপ্রাপ্তদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন।

৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো থেকে প্রার্থী দেওয়া হবে। তবে এবার শোবিজ দুনিয়া থেকেও কয়েকজন নারীর নাম শোনা যাচ্ছে সংরক্ষিত আসনের জন্য। এদের মধ্যে আছেন- রোকেয়া প্রাচী, শমী কায়সার, অপু বিশ্বাস ও জ্যোতিকা জ্যোতি প্রমুখ।

এদের মধ্যে রোকেয়া প্রাচী রাজনীতিতে অনেক দিন ধরেই সক্রিয় আছেন। আওয়ামী লীগের হয়ে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রায়শই। এছাড়া বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এবারের নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) প্রার্থী ছিলেন রোকেয়া প্রাচী। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের টিকিট পাননি তিনি। তাই সংরক্ষিত আসনে তিনি এমপি হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

অভিনেত্রী শমী কায়সারও গত কয়েক বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন। গেল একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনিও রোকেয়া প্রাচীর সঙ্গে নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চেয়েছিলেন ফেনী-৩ আসনে (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে। কিন্তু চূড়ান্ত ডাক পাননি। স্বাভাবিকভাবে তার নামটিও শোনা যাচ্ছে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য।

সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার দিক দিয়ে শোনা যাচ্ছে একজন চিত্রনায়িকার নামও। তিনি অপু বিশ্বাস। গেলো নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের হয়ে প্রচারণায় সরব ছিলেন। তাই তাকেও সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে দেখা যেতে পারে।

অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতিও রয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হওয়ার দৌড়ে। ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত তিনি। এবারের নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৩ আসন থেকে মনোনয়ন কিনেছিলেন। কিন্তু সবুজ সংকেত না পাওয়ায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তিনিও আশা করছেন সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩০০ সদস্য বিশিষ্ট সর্বোচ্চ আইন পরিষদ। এখানে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারের সরাসরি ভোটের ভিত্তিতে প্রতি আসন থেকে একজন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া নারীদের জন্য কিছু সংরক্ষিত আসন রয়েছে। যারা ভোটে নির্বাচিত সাংসদদের দ্বারা নির্বাচিত হন। ১৫ জন দিয়ে সংরক্ষিত এই আসনের যাত্রা হলেও বর্তমানে এই সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৫০।