ইস্টার সানডের দিন পরিচালিত হামলার সঙ্গে হাশিম বা এনটিজে সদস্যরা জড়িত থাকতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

শ্রীলঙ্কায় ২১ এপ্রিল রবিবার ইস্টার সানডে উদযাপনের সময় গির্জা ও হোটেলে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩৫৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ।

এই হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার একটি ভিডিও প্রকাশ করে এই জঙ্গীগোষ্ঠী, যেখানে জাহরান হাশিম নামে এক ব্যক্তিকে দেখা গেছে। ওই হামলার সময় হাশিম নিজে আত্মঘাতী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে তিনি এখনো বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন, তা নিশ্চিত নয়।

শ্রীলঙ্কার সরকারও ইস্টার সানডের দিন পরিচালিত হামলার সঙ্গে হাশিম ও তার প্রতিষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল তাওহীদ জামাত’ বা এনটিজে সদস্যরা জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছে। যদিও ইস্টার সানডেতে সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় বড় ধরনের গোয়েন্দা ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছে শ্রীলঙ্কার সরকার।

‘মুসলিম কাউন্সিল অব শ্রীলঙ্কা’-র ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিলমি আহামেদ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছিলেন, ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার কাত্তানকুডি এলাকায় এনটিজে নামে সংগঠনটি গড়ে তোলেন জাহরান হাশিম। ওই এলাকার একটি ইসলামি কলেজে হাশিম ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি হাশিম।

হিলমি আহামেদ হাশিম সম্পর্কে প্রায় তিন বছর আগে পুলিশকে সতর্ক করেছিলেন জানিয়ে বলেন, ‘হাশিম আগে একা ছিলেন। পরবর্তীতে কোরআন শিক্ষার নামে তরুণ প্রজন্মকে মৌলবাদের পথে পরিচালিত করেন। ফেসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে হাশিমের অনেক অনুসারী রয়েছে।’

আজকের পত্রিকা/বিএফকে/সিফাত/জেবি