সাদমান

চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। তবে শুরুতেই উইকেট হারানোর তিক্ত স্বাদ পেতে হয় টাইগারদের। ইনিংসের চতুর্থ বলেই সাদমানকে তুলে নিয়ে টাইগার শিবিরে প্রথম আঘাতটি হানেন আফগান পেসার ইয়ামিন আহমদজাই। ফলে শূন্য রানেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লাঞ্চ বিরতি চলছে। এর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ এক উইকেটে ১ রান। ক্রিজে আছেন ওপেনার সৌম্য সরকার ও ওয়ান ডাউনে নামা লিটন দাস। উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে ওপর ওপেনার সাদমান ফিরেছেন শূন্য রানেই।

এর আগে চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ফিল্ডিংয়ে নেমে দেড় ঘণ্টার মধ্যেই আফগানদের বাকি পাঁচ উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। এদিন তাইজুলের জোড়া শিকারের পর আফগান শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন দলনায়ক সাকিব। পরে ঝোড়ো ফিফটি করা রশিদকে তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে গুটিয়ে দেন মেহেদি মিরাজ। যাতে ৩৪২ এ গিয়ে থামে আফগানদের প্রথম ইনিংস।

শুক্রবার দিনের শুরুতেই আফগান শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন স্পিনার তাইজুল। প্রথমেই তুলে নেন সেঞ্চুরির পথে ছুটতে থাকা আসগর আফগানকে, পরে তারই সঙ্গী আফসারকেও সাজঘরের পথ দেখান এই বাঁহাতি। ৪১ রান করে তাইজুলের ঘূর্ণিতে সরাসরি বোল্ড হয়ে ফেরেন আফসার জাজাই।

পরে বল হাতে এসে অল্পের ব্যবধানে কায়স আহমেদ (৯) ও ইয়ামিন আহমাদজাইকে (০) তুলে নিয়ে উইকেট শিকারে যোগ দেন সাকিব। আর শেষে ঝড় তুলে ফিফটি হাঁকানো রশিদকে লাগাম পরান তরুণ স্পিনার মেহেদি মিরাজ।

আউট হওয়ার আগে যতদূর সম্ভব নিজেদের স্কোরকে বাড়িয়ে নেয়ার কাজটিই করেন তরুণ আফগান ক্যাপ্টেন। তাইতো ক্রিজে এসেই খেলতে থাকেন হাত খুলে। যাতে অন্যরা বিপদে পড়লেও নিজে ঠিকই তুলে নেন টেস্ট ফিফটি। ৫১ রান করে মিরাজকেই রিটার্ন ক্যাচ দেন তিনি। তার ৬১ বলের ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা ও দুটি চারের মার।

এর আগে সিরিজের একমাত্র টেস্টের প্রথম দিন ৫ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান করেছিল আফগানরা। শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দু’দলের দ্বিতীয় দিনের খেলা চলছে।

প্রথম দিন রহমত শাহ’র সেঞ্চুরিতে (১০২) বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে আফগানরা। আর আগের দিনে ৮৮ রানে অপরাজিত থাকা আসগর আফগান এদিন সকালে মাত্র ৪ রান যোগ করেই মুশফিকের গ্লাভসে ধরা পড়ে মাঠ ছাড়েন।

এ ইনিংসে বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন দ্রুত একশ উইকেট পূর্ণ করা তাইজুল ইসলাম। ৪১ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১১৬ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট দখল করেন তিনি। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন সাকিব আল হাসান ও নাঈম হাসান। আর একটি করে উইকেট পান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদি মিরাজ।