আটক রোহিঙ্গাদের কয়েকজন।

কক্সবাজার শহরের দরিয়ানগরস্থ শুকনাছড়ি থেকে ২৩ রোহিঙ্গাকে আটক করে সদর থানা পুলিশ। ১৪ মে মঙ্গলবার রাত ১০ দিকে তাদের আটক করা হয়।

এর আগে শতাধিক রোহিঙ্গাকে মালয়েশিয়াগামী বোটের অপেক্ষা অবস্থায় স্থানীয়রা আটক করে। তবে পুলিশে যেতে যেতে বিভিন্নভাবে বাকি সবাই পালিয়ে যায়।

স্থানীয়ররা জানান, প্রায় শতজনের একদল রোহিঙ্গাকে পাচারকরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল কয়েকজন দালাল। খবর পেয়ে দরিয়ানগর এলাকার জনগণ তাদের ধাওয়া করে। বাকীরা পালিয়ে গেলেও ২৩ জনকে একঘরে করে রাখে

খবর পেয়ে এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ১১ জন মহিলা, ৭ জন পুরুষ ও ৫ জন শিশু রয়েছে বলে জানান তারা।

এলাকাবাসিদের দাবি, দক্ষিণ কলাতলী এলাকার শামসুল আলমের ছেলে রাসেল ও বার্মাইয়াপাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি ও দক্ষিণ বাহারছড়া এলাকার আবুশামার ছেলে আনোয়ার পাচারকাজে জড়িত আছে বলে ভিকটিম ও এলাকাবাসীরা জানান।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং অফিসার মোহাম্মদ ইয়াছিনের নেতৃত্বে এসআই প্রদীপ চন্দ্র দে সঙ্গীয়ফোর্স নিয়ে শহরের ১২নং ওয়ার্ডের শুকনাছড়িস্থ বার্মাইয়াপাড়ার প্রকাশ খলিফার বাসা থেকে ২৩ রোহিঙ্গা নারী, শিশু ও পুরুষকে আটক করতে সক্ষম হয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি খন্দকার ফরিদ উদ্দিন জানান, পাচারের প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া রোহিঙ্গাদের স্থানীয়দের সহযোগীতায় উদ্ধার করা হয়। তাদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পাচারে জড়িত স্থানীয় দালালদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আজকের পত্রিকা/শায়েল/কক্সবাজার