শিশুদেরকে সকল ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেন রাষ্ট্রপতি। ছবি: সংগৃহীত

কাল বিকেলে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা-২০১৯’ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শিশুদের অসুস্থ প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দেবেন না। অসুস্থ প্রতিযোগিতা তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত করে।’

শিশুদেরকে সকল ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তাহলেই শিশুরা দেশ ও জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে।’

বঙ্গবন্ধুর শৈশবের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শিশুকাল থেকেই জাতির পিতা দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতেন ও তাদের সাহায্য করতেন। এমনকি তিনি একজন গরিব লোককে তাঁর পরনের শার্ট খুলে দিয়েছিলেন এবং শার্ট ছাড়াই বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘তোমাদেরকে বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তিনি অত্যন্ত সাহায্যকারী এবং অসামান্য নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন।’

রাষ্ট্রপতি একটি মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং বিজয়ীদের সঙ্গে ছবি তোলেন। ছবি: সংগৃহীত

তিনি কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামী নিয়ে বলেন, ‘পাঠ্যসূচির মাধ্যমে শিশুদের মাঝে সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করুন, যাতে করে তারা কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামী থেকে মুক্ত থাকতে পারে।’

রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ‘আজকের শিশু আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবে। তারা দেশশ্রেম, বাংলা ভাষা, মুক্তিচিন্তা ও মানবিক নৈতিক মূল্যবোধে অনুপ্রাণিত হয়ে বাঙালী সংস্কৃতিকে তুলে ধরবে।’

অনুষ্ঠানে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চেয়ারম্যান মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, বিশিষ্ট সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর পরিচালক আনজির লিটন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি একটি মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং বিজয়ীদের সঙ্গে ছবি তোলেন।

আজকের পত্রিকা/রিয়া