শিশুদের মুল্যবোধ নিয়ে আঁকা ব্রিস্টলের অজ্ঞাত চিত্রশিল্পী ব্যাঙ্কসীর আকা একটি দেয়াল চিত্র। ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেক শিশুই তাদের খাতার চেয়ে দেয়ালে আঁকতে কিংবা লেখালেখি করতে বেশি পছন্দ করে। নিজের কল্পনায় রঙ মিশিয়ে দেয়ালেই সে আপন মনে যা খুশি তাই আঁকতে চায়।

মনোবিজ্ঞানীদরা বলছেন, শিশুকে আটকানো মানে তার কল্পনাকে বাঁধা দেওয়া। তবে অতিরিক্ত আঁকাআঁকির কারণে দেয়াল নোংরা হয়ে যায়। আর ভাড়া বাড়ি হলে বাড়িওয়ালারাও বিরক্ত হন। অনেক সময় বাড়ি ছাড়ার আগে দেয়াল পুনরায় রঙ করার টাকাও দিতে হয় অনেক বাড়িওয়ালাকে। তাই এ ধরনের সমস্যায় এমন কিছু কৌশল অনুসরণ করতে পারেন, যাতে শিশুরা মন খারাপও করবে না, আবার দেয়ালও থাকবে পরিপাটি। যেমন-

১. শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। বাড়িতে বড় হোয়াইট বোর্ড রেখে তাতে মাঝে মাঝে তাকে দেখিয়ে রং-বেরঙের রেখা টানুন। তখন সেও ছবি আঁকার সময়ে হোয়াইট বোর্ডই ব্যবহার করতে চাইবে।

২. বকা নয়, অনুরোধ করে তাকে বুঝিয়ে বলুন। আপনার কথার ধরনে সে যেন বুঝতে পারে, তার সক্রিয়তা নিয়ে অপনার অসুবিধা নেই।

৩. শিশুকে অবসরে নানা রকম ছবি দেখান। একই সঙ্গে খাতায় ছবি এঁকেই আবার ইরেজার দিয়ে মুছে ফেলা যায়, এটা তাকে বুঝিয়ে দিন। তখন মজা পেয়ে সেও খাতায় আঁকতে চাইবে।

৪. শিশুরা প্রশংসা শুনতে ভালবাসে। খাতায় বা হোয়াইট বোর্ডে শিশুর আঁকার প্রশংসা করুন। দেয়ালের আঁকায় ততটা আগ্রহ দেখাবেন না। তাহলে সে খাতা কিংবা হোয়াইট বোর্ডে আঁকতেই উৎসাহী হবে।

আজকের পত্রিকা/মির/সিফাত