শিবালয়ের বরংগাঈল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি শনিবার ভোর রাতে মহাসড়ক থেকে ট্রাক ভর্তি নিষিদ্ধ পলিথিন আটক করেছে।

তবে হআটককৃত পলিথিন জব্দ তালিকায় কম দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

ফাঁড়ি ইনচার্জ বাসুদেব সিনহা সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মহাদেবপুর থেকে পাটুরিয়াগামী যশোর ট-১১-২৯৬৪ নম্বরের ট্রাকে তল্লাশী চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৩হাজার কেজি পলিথিন উদ্ধার করা হয়। যার মূল্য ধরা হয় মাত্র ৯০ হাজার টাকা।

উপস্থিত লোকজন ও চালক হেলপারদের দেয়া তথ্যে পলিথিনের পরিমান প্রায় ১১ টন বলে জানা গেছে।

উক্ত ইনচার্জ সাংবাদিকদের দ্বিতীয় দফায় জানান, উদ্ধার কৃত পলিথিনের পরিমান সাড়ে ৭ টন। তিনি এর মূল্য ধরেন ৪০ টাকা কেজি দরে তিন লাখ টাকা। অথচ, বাজারে এ ধরণের পলিধিন প্রতি কেজি প্রায় আড়াইশ টাকা দরে বিক্রি হয় বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

জানা গেছে, উক্ত ট্রাকে আটক প্রায় ১১ টন পলিথিন থেকে চোরাপথে ৪ টন বিক্রির কারসাজির চেষ্ঠায় জনমনে ও সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

আটক ট্রাক চালক শাহাদাত হোসেন (৪২) ও সহকারী শরিফুল ইসলাম (২৮) যশোরের শার্শা উপজেলার বাসিন্দা। পলিথিন মালিক মিরাজ হোসেন পলাতক থাকলেও সহযোগী ঢাকার রহমতগঞ্জের রাশেদ ফারাজি আটক হয়।

ফাঁড়ি ইনচার্জ বাসুদেব সিনহা জব্দকৃত ও বাস্তবতার সাথে পলিথিনের গড়মিলের কথা অস্বীকার করে বলেন, ট্রাকে আমরা যে পরিমাণ পলিথিন পেয়েছি তার সবগুলোই জব্দ করা হয়েছে।

অটককৃত পলিথিন ভর্তি ট্রাক থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। এব্যাপারে শিবালয় থানায় একটি মামলা হয়েছে।

-শাহজাহান বিশ্বাস