সিলেটে হেফাজত ইসলামের সভা

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট জেলা নেতৃবৃন্দ বলেছেন, কয়েশ শতাব্দির ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মারক সিলেটের শাহী ঈদগাহ। এখানে বিশ্বের শ্রেষ্ট ইসলামী ব্যক্তিবর্গ বহুবার আগমন করেছেন। প্রতি বছর মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুইটি ঈদে নানান প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে লক্ষ লক্ষ মানুষ পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করেন। অশ্রুসিক্ত নয়নে মহান মাবুদের কাছে দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাত করেন।

বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিগণ শাহী ঈদগাহে নামাজ পরেন ও মুসল্লিদের সাথে খোলা মনে কুশল বিনিময় করেন। এসব ইতিহাস ঐতিহ্যর প্রতিক সিলেটের শাহী ঈদগাহ জাজ মাল্টি মিডিয়া “ইত্তেফাক” নামক সিনেমার শুটিং করেছে যা ধর্মীয় ভাবমূর্তিতে আঘাত হানার নামান্তর। সিলেটের ইসলামপ্রিয় মুসলমানের চোখে আঙ্গুল দিয়ে যারা এহেন গর্হিত কাজ করেছে, নিশ্চয় তারা ইসলামের দুশমন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ঈদগাহ কর্তৃপক্ষ আজ বে-খবর, প্রতিনিয়ত নামাজের এ স্থানটিকে যুবক-যুবতীরা আড্ডায়খানায় পরিণত করেছে। কেন আজ প্রশাসন নিরব? এসব সমাজবিরোধী ও ধর্মীয় পবিত্র স্থানের অবমাননার কাজ কি প্রশাসনের নজরে পড়ে না?

১ ডিসেম্বর রোববার আয়োজিত আলোচনা সভায় দরগাহ মাদরাসায় হেফাজতে ইসলাম সিলেটের সভাপতি দরগাহ মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ির সভাপতিত্বে ও মহানগর সেক্রেটারী সিলেট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খানের পরিচালনায় নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, শাহী ঈদগাহের পাশ্ববর্তী তৌহিদী জনতা এসব নিন্দনীয় ও ধর্মীয় উৎসবের মিলনমেলায় পবিত্র স্থানের অবমাননার বিরুদ্ধে ফুসে উঠলে পরিস্থিতি নাগালের বাহিরে চলে যেতে পারে। তখন প্রশাসন দায়ভার এড়াতে পারবে না।

উপস্থিত বৈঠকে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন, মাওলানা হাফিজ মহসিন আহমদ, মাওলানা মুহিবুর রহমান, মাওলানা গাজী রহমত উল্লাহ, মাওলানা খলিলুর রহমান, হাবিব আহমদ শিহাব, মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা আতাউর রহমান, মুফতি ফয়জুল হক, মাওলানা মুকদ্দছ জামলাবাদী, মুফতি রশীদ আহমদ প্রমুখ।