তালের রস সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং রস বিক্রি করা হচ্ছে।

শার্শায় প্রতি বছরের মতো এবারও ইফতারিতে তালের রসের কদর বেড়েছে। প্রতিদিন শার্শার চটকাপোতা গ্রামে জমে উঠেছে তালের রস বিক্রি। গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য ক্রেতাদের কাছে তালের রস কদর বেশি।

ঐ দেখা যায় তালগাছ, ঐ আমাদের গাঁ, ঐ খানেতে বাস করে কানা বগির ছা’ এই চরণগুলো শিশুমনে একটা চিরস্থায়ী ছাপ ফেলে গেছে। গাছগুলোয় ভরে উঠেছে তালের রস।

তালের রস ব্যবসায়ীরা বলেন, গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য ডাবের পানির পাশাপাশি ক্রেতাদের কাছে ভেজালমুক্ত তালের রসের কদর বেশি। আবার গত কয়েক বছরে ইফতারের উপকরণ হিসেবেও তালের রস জনপ্রিয়তা বেড়েছে। একটা তাল গাছে সাধারণত ৬টি করে কলস পাতা আছে। তালের রস বিক্রি করছেন গ্লাস প্রতি ১০ টাকা।

তালের রস কেবল স্বাদে ভালো না, শরীরের জন্যও এটা উপকারী। প্রথম উঠেছে, তাই দাম একটু বেশি। বিক্রেতা বলেন গরমের সময় ডাবের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তালের রস বিক্রি হয়। কিন্তু এখন জোগান কম থাকায় চাহিদা থাকলেও অনেককে দিতে পারছি না।’

সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইটে তালের রস দেশের গুরুত্বপূর্ণ অপ্রচলিত রস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়েবসাইটে তালের রসের অনেক পুষ্টিগুণের কথা বলা হয়েছে ।

আবার পুষ্টিবিদরা বলছেন, তালের রসের বেশির ভাগ অংশ জলীয় থাকে। ফলে দ্রুত শরীর শীতল করার পাশাপাশি আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে শরীর দ্রুত পানি হারালে তা পূরণ করতে পারে। এ ছাড়া তালের রস শরীরের কোষের ক্ষয় প্রতিরোধ করে। ফলে সারা দিন রোজার পর অনেককেই পথের পাশের তালের সর বিক্রেতার কাছে ভিড় জমাতে দেখা যাচ্ছে।

ইয়ানূর রহমান/যশোর/জেবি